kalerkantho


‘পুলিশের অসৌজন্যমূলক আচরণ’

ছাত্রলীগের বিক্ষোভ-হামলা গোপালগঞ্জে আহত ১০

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি   

২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



গোপালগঞ্জে ছাত্রলীগ নেতার সঙ্গে পুলিশের এক কর্মকর্তার অসৌজন্যমূলক আচরণের প্রতিবাদে ছাত্রলীগ গোপালগঞ্জ-টুঙ্গিপাড়া সড়ক অবরোধ করে। এ সময় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের ইটের আঘাতে পুলিশ ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকসহ ১০ জন আহত হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে গোপালগঞ্জ-টুঙ্গিপাড়া সড়কে বঙ্গবন্ধু কলেজের সামনে টায়ার জ্বালিয়ে এবং গাছের গুঁড়ি ফেলে রাস্তা অবরোধ করে। এ সময় তারা বিক্ষোভ মিছিল করে এবং অভিযুক্ত ওই পুলিশ কর্মকর্তার অপসারণের দাবি জানায়। পরে আওয়ামী লীগ নেতারা ও পুলিশ অবরোধ তুলে নেওয়ার অনুরোধ জানাতে গেলে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর ইটপাটকেল ছোড়ে। এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলী খান, পুলিশের দুই সদস্যসহ ১০ জন আহত হয়। তা ছাড়া পুলিশের একটি মোটরসাইকেলও ভাঙচুর করে তারা। পরে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে আওয়ামী লীগ নেতা ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশ্বাসের ভিত্তিতে তারা অবরোধ তুলে নেয়।

গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. সেলিম রেজা জানান, গত বুধবার গভীর রাতে এএসপি (হেডকোয়ার্টার্স) এয়াকুব হোসেনের সঙ্গে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিকের মোটরসাইকেল চালানো নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি হয়। এর প্রতিবাদে গভীর রাতেও ওই সড়কে অবরোধ করে ছাত্রলীগ। পরে পুলিশের বিশেষ অনুরোধে অবরোধ তুলে নেয় তারা।

পরে তারা বৃহস্পতিবার সকাল থেকে আবারও সড়ক অবরোধের পাশাপাশি বিক্ষোভ করে। জেলা আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে আমরাও অবরোধ তুলে নেওয়ার অনুরোধ করতে গিয়েছিলাম। এ সময় তারা ইটপাটকেল ছোড়ে। এতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পুলিশ সদস্যরা আহত হয়। গুরুতর আহত কোটালীপাড়া থানার এসআই হাফিজুর রহমান ও সদর থানার কনস্টেবল মতিয়ার রহমানকে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে এএসপি (হেডকোয়ার্টার্স) এয়াকুব হোসেন বলেন, রাত ১২টার দিকে রাস্তায় রফিকের কাছে মোটরসাইকেলের কাগজপত্র চাওয়া হলে তিনি কাগজপত্র বাসায় আছে জানালে গাড়িটি রেখে দেওয়া হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে অবরোধ করা দুঃখজনক। বিষয়টি আলাপ-আলোচনার মাধ্যমেও মীমাংসা করা যেত।

 


মন্তব্য