kalerkantho

ফতুল্লায় সংঘর্ষ

আলাদা মামলা

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি   

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় দুই পক্ষে সংঘর্ষের ঘটনায় শতাধিক লোককে আসামি করে দুটি মামলা করা হয়েছে। দুটি মামলায় ৬০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরো ৫০-৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে। গতকাল বুধবার নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা মডেল থানা ও মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান থানায় মামলা দুটি করা হয়।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ফতুল্লার বক্তাবলীর আকবরনগর এলাকার বিভিন্ন ইটভাটায় সামেদ আলী ও তার লোকজন দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি করে আসছিল। আলী হোসেন ও তার লোকজন এর প্রতিবাদ করলে সামেদ আলী ও তার লোকজন ক্ষুব্ধ হয়। পরে গত ২০ ফেব্রুয়ারি সামেদ আলীর বিরুদ্ধে ফতুল্লা মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। এর সূত্র ধরে মঙ্গলবার সকালে সামেদ আলী ও তার লোকজন আলী হোসেনদের ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে। পরে আলী হোসেনরা তাদের ঘরে ঢুকে ব্যাপক লুটপাট চালায়। পরে তারা ছয়টি ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়। তাতে প্রায় ৬০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়। পরে মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনেন।

পরে তারা আবার সিরাজদিখান থানা এলাকার আকবরনগর ও রাজনগরে একাধিক বাড়িতে ভাঙচুর চালায়। এমনকি পরে তারা ওই বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে তার প্রায় তিন লাখ টাকার ক্ষতি হয়।

শিবিরের তিন কর্মী গ্রেপ্তার

সিদ্ধিরগঞ্জে গত মঙ্গলবার রাতে ছাত্রশিবিরের তিন কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মিজমিজি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার ওই তিনজনের কাছ থেকে বিভিন্ন জিহাদি বই ও সদস্য সংগ্রহ ফরম উদ্ধার করা হয় বলে দাবি করেছে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী কাজ ও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকার অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়েছে। গ্রেপ্তার তিনজন হলো মো. আবুল কাশেম, মো. ইরফান ও মো. মফিজুল ইসলাম।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মুহাম্মদ শরাফত উল্লাহ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আবুল হোসেন ও উপপরিদর্শক মোরশেদ আলমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল মিজমিজি এলাকার জেলা জামায়াত নেতা আব্দুর রহমানের বাড়িতে অভিযান চালায়।


মন্তব্য