kalerkantho


আখাউড়ায় স্বীকারোক্তি

খুন করে পরিচয় মুছতে লাশে আগুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি   

২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



কোদাল ও ছেনি দিয়ে গলা কাটার পর কেউ যেন লাশ চিনতে না পারে সে জন্য আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। আবদুল হালিম হত্যা মামলায় গতকাল রবিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে ইদ্রিস মিয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এ কথা বলেছে।

আখাউড়া থানার ওসি মো. মোশারফ হোসেন তরফদার জবানবন্দির বরাদ দিয়ে জানান, ঢাকার উত্তরার কথিত পীর আবদুল মান্নানের মুরিদ ছিল ইদ্রিস মিয়া। বছরখানেক আগে দেওয়ানবাগী পীরের ভক্ত বানানো হয় ইদ্রিসকে। এরপর থেকে তার মধ্যে অস্বস্তি কাজ করতে থাকে। এ নিয়ে আবদুল হালিমের সঙ্গে প্রায়ই মতবিরোধ হতো। আর এ নিয়েই হালিমকে হত্যা করে ইদ্রিস।

এলাকাবাসী ও পুলিশের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যানুসারে, আখাউড়া পৌর এলাকার টানপাড়ার একটি ঘর থেকে গত সোমবার দুপুরে শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার কুড়িকাহানিয়া গ্রামের এনতাজ মিয়ার ছেলে হালিমের লাশ উদ্ধার করা হয়। গলা অর্ধেক কাটা, মাথার পেছন দিকে আঘাত ও আগুনে শরীর পোড়া ছিল। মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে পাওয়া খবরে পরিবারের লোকজন এসে হালিমের পরিচয় নিশ্চিত করে। এ ঘটনায় পুলিশ নেত্রকোনার বারহাট্টার ইদ্রিসকে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করে।

ওসি মোশারফ বলেন, ‘হত্যার পর হালিমের মোবাইল ফোনটিও নিয়ে যায় ইদ্রিস। ওই সূত্র ও হালিমের পরিবারের দেওয়া তথ্য মতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ’

 


মন্তব্য