kalerkantho


ভাই হত্যার বিচার চান তৈমূর

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি   

১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০




ভাই হত্যার

বিচার চান

তৈমূর

বিকেএমইএর সাবেক সহসভাপতি সাব্বির আলম খন্দকারের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে বক্তব্য দেন নিহতের বড় ভাই তৈমূর আলম খন্দকার। ছবি : কালের কণ্ঠ

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা তৈমূর আলম খন্দকার বলেছেন, ‘আমরা সবাই জানি, বলি না। কিন্তু সাব্বির আলম বলত।

আর সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে আজ তাকে নির্মমভাবে খুন হতে হলো। স্ত্রী ও সন্তানদের তাকে হারাতে হলো। আমরা এ হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই। ’

ছোট ভাই সাব্বির আলম খন্দকারের ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল শনিবার সকালে নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়ায় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন শেষে তৈমূর আলম এসব কথা বলেন।

সাব্বির আলম খন্দকার ছিলেন দেশের গার্মেন্ট মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ নিটওয়্যার অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) প্রতিষ্ঠাকালীন পরিচালক ও সাবেক সহসভাপতি। তিনি তৈমূর আলমের ছোট ভাইও। তাঁর আরেক ভাই মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক।

উল্লেখ্য, ২০০৩ সালে অপারেশন ক্লিন হার্ট চলাকালে একটি অনুষ্ঠানে প্রশাসনের লোকজনের উপস্থিতিতে সাব্বির আলম নিজের জানাজায় সবাইকে শরিক হওয়ার আহ্বান জানিয়ে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেন। এর কয়েক দিন পর ১৮ ফেব্রুয়ারি শহরের মাসদাইরে নিজ বাড়ির অদূরে আততায়ীর গুলিতে তিনি নিহত হন।

তৈমূর আলম খন্দকার আরো বলেন, ‘সন্ত্রাস ও মাদকবিরোধী আন্দোলনের অগ্রপথিক ছিল আমার ভাই। মাদক, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কথা বলার কারণে প্রাণ দিতে হয় তাকে। তখনকার সময়ে আইনশৃঙ্খলা সভায় জানতে চাওয়া হয়েছিল, কেন নারায়ণগঞ্জে ঝুট সন্ত্রাস, খুন, হামলা, ছিনতাই এসব হচ্ছে। প্রশাসনের বড় বড় কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা ছিল, কেউ কথা বলেনি। তখন সাব্বির আলম কথা বলে। এ জন্যই তাকে প্রাণ দিতে হয়। আমরা এখনো তার বিচার পাইনি। ’

মানববন্ধনের পরে কালো পতাকা নিয়ে শহরের মাসদাইর এলাকার সিটি করপোরেশনের কবরস্থানে গিয়ে সাব্বিরের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে সেখানে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন খানের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির উপদেষ্টা জামাল উদ্দিন কালু, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বিশ্বাস, জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী নুরুন নাহার, সাধারণ সম্পাদক রহিমা শরিফ মায়া, মহানগর মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক রাশিদা জামাল প্রমুখ।


মন্তব্য