kalerkantho


মাগুরার সীমাখালী ব্রিজ ভেঙে পড়ার জের

কালনা ঘাটে পারের অপেক্ষায় শত শত যানবাহন

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি   

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



কালনা ঘাটে পারের অপেক্ষায় শত শত যানবাহন

মাগুরার সীমাখালী ব্রিজ ভেঙে যাওয়ায় গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে কালনা ফেরিঘাটে যানবাহনের চাপ বেড়ে গেছে। নদী পারাপারে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে। ছবিটি গতকাল তোলা। ছবি : কালের কণ্ঠ

মাগুরার সীমাখালী ব্রিজ ভেঙে যাওয়ায় ওই রাস্তায় চলাচলকারী যানবাহনের একটি অংশ গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার কালনা ফেরিঘাট দিয়ে নড়াইল হয়ে যশোর, মাগুরা, খুলনা, সাতক্ষীরা প্রভৃতি জেলায় যাচ্ছে। এতে মধুমতী নদীর কালনা ফেরিঘাটে যানবাহনের চাপ বেড়ে গেছে। নদী পারাপারে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে শত শত যানবাহনকে। গতকাল শুক্রবার ছুটির দিনে যানবাহনের চাপ আরো বেড়ে যায়।

সূত্র জানায়, তিন দিন ধরে কালনা ফেরিঘাটে যানবাহনের ব্যাপক চাপ পড়েছে। দুটি ফেরি চালিয়েও এ চাপ সামাল দেওয়া যাচ্ছে না। ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকে যাত্রীবাহী বাস ও পণ্যবাহী ট্রাকগুলো পারাপার হচ্ছে। ঘাটে বসে থেকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে যাত্রীদের।

এদিকে মধুমতী নদীতে পানি কমে যাওয়ায় অসংখ্য ডুবোচরের কারণে ফেরি চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। ঘাটের দুই পারে তিন শতাধিক বাস ও ট্রাক আটকা পড়েছে। কখন এসব যানবাহন পার হতে পারবে, তা অনিশ্চিত।

ঘাটের ইজারাদার মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু মোবাইল ফোনে জানান, নদীতে অসংখ্য ডুবোচর রয়েছে। ফেরি চলাচলে সমস্যা হচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে। কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেও নদীর পলি সরানোর অনুমোদন পাওয়া যায়নি। তার ওপর ভাটার কারণে পানি কমে গিয়ে ফেরি চালানো সমস্যা হচ্ছে। এর মধ্যে ঘাটে যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ পড়েছে কয়েক দিন ধরে। দুটি ফেরি চালিয়েও ঘাট সচল রাখা কঠিন হয়ে উঠেছে। এর পরও তাঁরা যথাসাধ্য চেষ্টা চালাচ্ছেন।

গোপালগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সমীরণ রায় ফেরি চলাচলের সমস্যার কথা স্বীকার করে বলেন, বিষয়টি দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চালাচ্ছেন তাঁরা।


মন্তব্য