kalerkantho


চাঁদপুর

দীপু মনি-শামছুল হক বৈরিতা ঘুচল

চাঁদপুর প্রতিনিধি   

১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



চাঁদপুরে একটি সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মধ্য দিয়ে ডা. দীপু মনির সঙ্গে জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ডা. মোহাম্মদ শামছুল হক ভূঁইয়ার প্রায় ১৬ বছরের বিরোধ নিরসন হলো। এর আগে ২০০১ সালে দলের মনোনয়ন নিয়ে এ দুজনের মধ্যে বৈরিতা শুরু হয়।

দীপু মনির বাবা ভাষাসৈনিক এম এ ওয়াদুদের নামে ডাকাতিয়া নদীর ওপর এ সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করা হয়।

এ সময় তাঁরা দুজন পাশাপাশি দাঁড়িয়ে হাসি মুখে কথা বলেন। তারপর ফলকের ফিতা কেটে মোনাজাত করেন। এ দৃশ্য উপস্থিত নেতাকর্মীদের কাছে বেশ উপভোগ্য হয়ে ওঠে। গতকাল শনিবার দুপুরে চাঁদপুরের ডাকাতিয়া নদীর ওপর ৩৭ কোটি টাকা ব্যয়সাপেক্ষে এ সেতুর নির্মাণকাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি ডা. দীপু মনি ও চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ড. মোহাম্মদ শামছুল হক ভূঁইয়া।

এ সময় ডা. দীপু মনি এমপি বলেন, ‘এই সেতু যেমন নদীর দুই পারের মানুষের মেলবন্ধন রচনা করেছে, তেমনি আমরা যাঁরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও শেখ হাসিনার রাজনীতি করছি, তাঁদের জন্যও এটি একটি দৃষ্টান্ত। কারণ রাজনীতি করতে গেলে কিছুটা টানাপড়েন থাকে। তা আবার মিটমাটও হয়ে যায়। যেমনটা আজকের এই পরিবেশ।

ড. মোহাম্মদ শামছুল হক ভূঁইয়া বলেন, ‘আমাদের মধ্যে কখনো বৈরিতা ছিল না। হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্কই ছিল। তবে কেউ তা অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে দেখেনি। ’ তিনি বলেন, ‘ডা. দীপু মনির বাবা একজন বরেণ্য ভাষাসৈনিক ছিলেন। তাঁর সেই মর্যাদা সমুন্নত রাখতেই আমরা সেতুর নামকরণ করেছি। ’ তিনি আরো বলেন, ‘দেশ ও গণমানুষের উন্নয়নের লক্ষ্যে আমরা সব সময় ঐক্যবদ্ধ রয়েছি। ’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাজিম দেওয়ান, ফরিদগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল খায়ের পাটোয়ারী, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবু সাহেদ সরকারসহ দলীয় নেতাকর্মীরা।


মন্তব্য