kalerkantho


নান্দাইলে ব্যবসায়ী হত্যা

১১ বছর পর রহস্য উদ্‌ঘাটন

ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি   

১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



নান্দাইলের ব্যবসায়ী শ্যামল চন্দ্র দাস হত্যার ১১ বছর পর দুই অভিযুক্তকে আটক করেছে ময়মনসিংহের পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এর মধ্যে গত বৃহস্পতিবার একজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

মামলা ও থানা সূত্র জানায়, গত ২০০৬ সালের ২২ আগস্ট শ্যামলচন্দ্র দাস হত্যা মামলা করা হয় নান্দাইল থানায়। দুই সপ্তাহ পর মামলাটি পর্যায়ক্রমে দায়িত্ব পায় ডিবি ও সিআইডি। চতুর্থ সংস্থা হিসেবে মামলাটি অধিকতর তদন্ত করছে পিবিআই। এর মধ্যে ১০ জন তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন হয়েছে।

গতকাল শুক্রবার পিবিআইর পরিদর্শক মো. তফাজ্জল হোসেন খান জানান, ২০০৬ সালের ১৮ আগস্ট নান্দাইলের নাথপাড়া মহল্লার সুবোধচন্দ্র দাসের ছেলে শ্যামল (২৮) বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন। তিন দিন পর তাঁর ক্ষত-বিক্ষত গলিত লাশ পাওয়া যায় বাড়ির কিছু দূরে বুজাইভুরি বিলে।

পিবিআই গত বুধবার আচারগাঁও থেকে অলিনেওয়াজের (মৃত) ছেলে আব্দুর রাশিদ (৫৫) ও মফিজুল ইসলামের (মৃত) ছেলে আব্দুর রশিদকে (৪৫) আটক করে। গত বৃহস্পতিবার আব্দুর রাশিদ ময়মনসিংহ জেলা চতুর্থ আমলি আদালতের বিচারক খালেদা নাসরিনের কাছে জবানবন্দি দেয়।

ময়মনসিংহ জেলা পিবিআইর প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, ‘একটি তুচ্ছ ঘটনায় জেদের বশে শ্যামলকে হত্যা করা হয়।

ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করে এলাকার কাউসারের (মৃত) ছেলে রিকশা মেকানিক মো. আব্দুর রশিদ। ১২ দিন পর গভীর রাতে তাকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে শ্বাসরোধে হত্যার পর বাড়ির সামনে আমগাছে ঝুলিয়ে রাখে। এ ঘটনায় তখন একটি অপমৃত্যু মামলা হলেও কারা এ ঘটনায় জড়িত তা প্রকাশ হয়নি। ’

পরিদর্শক মো. তফাজ্জল হোসেন খান বলেন, ‘দুটি হত্যাকাণ্ডে ১১জন জড়িত। বাকিদের নাম পাওয়া গেছে। তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ’


মন্তব্য