kalerkantho


নবীগঞ্জে ভাইকে অস্ত্র ঠেকিয়ে বোনকে গণধর্ষণ

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি   

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় গত বুধবার ভোরে ভাইকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে বোনকে গণধর্ষণ করা হয়েছে। তাকে বিকেলে হবিগঞ্জ আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মেয়েটি স্থানীয় একটি মাদরাসার তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ভোর ৬টায় মক্তবে যাওয়ার জন্য বড় ভাই শাহিন মিয়ার সঙ্গে রওনা দেয় মেয়েটি। পথে অপরিচিত তিন যুবক তাদের গতিরোধ করে। পরে তারা শাহিন মিয়াকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে আড়ালে নিয়ে তার বোনকে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। অবস্থার অবনতি দেখে চিকিৎসক তাকে হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। তবে অভিযুক্তদের পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি।

হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. দেবাশীষ দাস বলেন, ‘স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর বলা যাবে যৌন নির্যাতন কি না। ’

নবীগঞ্জ থানার ওসি আব্দুল বাতেন খান বলেন, ‘অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

ধর্ষণের মিথ্যা অভিযোগে টাকা হাতানোর চেষ্টা

হবিগঞ্জ টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের এসএসসি পরীক্ষার্থী এক ছাত্রের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মিথ্যা অভিযোগ তুলে মীমাংসার নামে টাকা হাতানোর চেষ্টা চলছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় বছরখানেক আগে থেকে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছে ইমান আলীর ছেলে রমিজ আলী ও তার পরিবার। কয়েক দিন আগে পাশের এলাকার এক মেয়ে তার মামা রমিজ আলীর বাড়িতে বেড়াতে যায়। গত ১ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টায় ওই ছাত্র মেয়েটিকে নির্যাতন করেছে বলে অভিযোগ এনে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি হয়।

এদিকে বিদ্যালয় সূত্র জানায়, ১ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টায় ওই ছাত্র হবিগঞ্জ টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ছিল। পরে এ বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করার চেষ্টা চালায় রমিজ। একপর্যায়ে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করে।

অন্য একটি সূত্র জানায়, রমিজ এর আগে শহরতলির ভাদৈ এলাকায় এক ছেলের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে রফা করে।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবুল আলম হিরো বলেন, ‘ঘটনাটি একটি সাজানো নাটক। ’

হবিগঞ্জ সদর থানার ওসি ইয়াসিনুল হক বলেন, ‘নির্যাতন বা নির্যাতনের অভিযোগ তুলে হয়রানি, কোনোটির অভিযোগ পাইনি। ’


মন্তব্য