kalerkantho


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গুলিবিদ্ধ লাশ

পুলিশ মেরেছে, দাবি পরিবারের

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি   

৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মো. আল-আমিন (২৮) নামের এক যুবকের গুলিবিদ্ধ লাশ গত সোমবার গভীর রাতে পৌর এলাকার মেড্ডা থেকে উদ্ধার করেছে সদর থানা পুলিশ। তিন কন্যা সন্তানের জনক আল-আমিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার কান্দিপাড়ার মো. জিল্লু মিয়ার ছেলে।

জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে মঙ্গলবার তাঁর লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।

পরিবারের লোকজনের অভিযোগ, আল-আমিনকে বাড়ির সামনে থেকে তুলে নিয়ে পুলিশ এ ঘটনা ঘটিয়েছে। আটক করার সময় পালিয়ে যেতে পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়ার পর সেখান থেকে আল-আমিনকে উঠিয়ে হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

অন্যদিকে পুলিশ বলছে, মাদক ব্যবসার জেরে দুই পক্ষের গোলাগুলিতে তিনি মারা গেছেন। ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশের দাবি। পুলিশ আরো জানায়, আল-আমিনের বিরুদ্ধে সদর থানায় তিনটি মামলা রয়েছে। মাদক ব্যবসার অভিযোগে এলাকার লোকজন সম্প্রতি নাকি তাঁর ঘর গুঁড়িয়ে দেয়।

নিহতের স্ত্রী তানজিনা বেগম সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, সোমবার বিকেল ৪টার দিকে তাঁর স্বামী আল-আমিন নিজ বাড়িতে নতুন ঘর ওঠানোর কাজ করছিলেন। এ সময় আশরাফ নামের এক পুলিশ কর্মকর্তাসহ কয়েকজন এসে তাঁকে ধরে নিয়ে যায়।

এ সময় তাঁর নামে ওয়ারেন্ট আছে বলে জানানো হয়। পরে তিনি সদর থানায় গেলে পুলিশ জানায়, আল-আমিন নামের কাউকে আটক করা হয়নি।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে দাবি করা মো. জুয়েল রানা নামের এক যুবক জানান, পুলিশ আল-আমিনকে ধরে নিয়ে যাওয়ার সময় দুই হাত পেছনে নিয়ে হাতকড়া পরাতে চায়। কিন্তু আল-আমিন তখন তার এক হাতে রড লাগানো আছে উল্লেখ করলে দুই হাত সামনে এনে হাতকড়া পরানো হয়।

আল-আমিনের মামা মো. ইব্রাহিম মিয়া ও ছোট বোন নিলুফা আক্তার অভিযোগ করেন, পুলিশই তাকে ধরে এনে হত্যা করেছে।


মন্তব্য