kalerkantho


বালিয়াকান্দিতে শিক্ষকসহ ১১ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

নান্দাইলে তিন শিক্ষকের এমপিও বাতিলের সুপারিশ

রাজবাড়ী ও ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি   

৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে মঙ্গলবার এসএসসি ইংরেজি প্রথম পত্র পরীক্ষায় দায়িত্বে অবহেলার কারণে একজন কক্ষ পরিদর্শক ও অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ১১ জন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে চারজন কক্ষ পরিদর্শককে সতর্ক করে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

কেন্দ্র সচিব ও বালিয়াকান্দি পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবদুস সালাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রাজবাড়ীর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাফি বিন কবির বালিয়াকান্দি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র পরিদর্শনের সময় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে নারুয়া লিয়াকত আলী স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের ছাত্র শহিদুল ইসলাম, আশিক খান, মো. সোহেল রানা, শফিকুল ইসলাম, রিয়াজ হোসেন, শরিফুল ইসলাম, নটাপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সেজান তালুকদার, নলিয়া শ্যামা মোহন ইনস্টিটিউটের রনি শেখ, চাপড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের রাসেল মিয়া, শালমারা-নিশ্চিন্তপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের আবদুল আলিম, বহরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের মনিরুল ইসলামকে বহিষ্কার করেন। এ সময় দায়িত্বে অবহেলার দায়ে রামদিয়া বিএমবিসি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক বিমল চন্দ্র চক্রবর্তীকে বহিষ্কার করা হয়। তা ছাড়া দায়িত্বে অবহেলার কারণে জঙ্গল আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মুকুল চন্দ্র মণ্ডল, বকচর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক রাজেন্দ্রনাথ মণ্ডল, চাপড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক বিপুল কুমার গোস্বামী ও অলংকারপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. আনোয়ার হোসেনকে সতর্ক করে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে প্রশ্নপত্র বাইরে পাঠানোর পাশাপাশি নিজেদের বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের নকল সরবরাহ করার সময় হাতেনাতে ধরা পড়েন তিন শিক্ষক। কর্তব্যরত ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে পুলিশ তাঁদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পরে মুচলেকা রেখে ছেড়ে দিলেও তাঁদের এমপিও বাতিলের সুপারিশ করেছেন ইউএনও। ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার বরিল্লা এ কে উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ঘটনাটি ঘটে গতকাল মঙ্গলবার। আটক ব্যক্তিরা হচ্ছেন উপজেলার আবদুল হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এনায়েত হোসেন, খুররম খান চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আসাদুজ্জামান ভুঁইয়া ও আমিনুল ইসলাম।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ওই তিন শিক্ষককে আটকের পর হাতকড়া পরিয়ে একটি কক্ষে আটকে রাখা হয়। পরীক্ষা শেষে তাঁদের নান্দাইল থানায় আনা হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এনে তিনজনের কাছ থেকে মুচলেকা রেখে ছেড়ে দেওয়া হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান জানান, শিক্ষকদের সম্মানের কথা বিবেচনা করে তাঁদের জেল জরিমানা না দিয়ে শুধু মুচলেকা রাখা হয়েছে। তবে অপরাধ বিবেচনায় অভিযুক্ত তিন শিক্ষকের এমপিও বাতিলের জন্য জেলা প্রশাসক বরাবর প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে।


মন্তব্য