kalerkantho


নোয়াখালীতে ছেলে হত্যা

বাবা ও সত্মা আটক

নোয়াখালী ও গাইবান্ধা প্রতিনিধি   

৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার জষোড়া গ্রামে খাবারের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে ছেলেকে হত্যা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী তাঁর বাবা ও সত্মাকে পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে। গতকাল সোমবার দুপুরে নিহত মো. ফয়সাল হোসেনের (১৯) লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সত্মা নার্গিস আক্তার (৩৫) ও বাবা আবদুর রহিমকে (৪৫) আটক করে অভিযোগ খতিয়ে দেখছে তারা।

স্থানীয় লোকজন জানায়, ফয়সালের মা মারা যাওয়ার পর তাঁর বাবা রহিম দ্বিতীয় বিয়ে করেন। সত্মা নার্গিস বিয়ের পর থেকে ফয়সালকে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করে আসছিলেন। এতে তাঁর বাবা কোনো প্রতিবাদ করতেন না। উল্টো ফয়সালকে বকাঝকা করতেন। তাঁরা ফয়সালকে সহ্য করতে পারতেন না। রবিবার রাতে সত্মা ও বাবা ফয়সালের খাবারের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে দেন। খাওয়ার পর রাতে ঘুমের মধ্যে তিনি অচেতন হয়ে থাকেন।

সকালে ফয়সালের চিত্কারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে পুলিশ নিহতের মৃতদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাছিম উদ্দিন বলেন, ‘আটক দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ’

গোবিন্দগঞ্জে গৃহবধূকে হত্যা : এদিকে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ফুলহার গ্রামে গতকাল সকালে এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাঁকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এ ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

প্রতিবেশীরা জানায়, মেহেদুল ইসলামের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী খাদিজা বেগমের (২৯) কিছুদিন ধরে পারিবারিক কলহ চলছিল। সকালে প্রতিবেশী ও পরিবারের লোকজন ঘরের দরজা খোলা দেখে ভেতরে ঢুকে লাশ মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা আধুনিক হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।


মন্তব্য