kalerkantho


ট্রলারে ১৮ মরা হাঙর

ভাণ্ডারিয়ায় আট জেলেকে কারাদণ্ড

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, পিরোজপুর   

৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ার কচা নদীতে গত শুক্রবার রাতে কোস্ট গার্ড ও বন বিভাগ অভিযান চালিয়ে ১৮টি সামুদ্রিক হাঙর উদ্ধার করেছে। এ সময় হাঙর ধরার অভিযোগে আটক আট জেলেকে গতকাল শনিবার বিকেলে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

দণ্ডিত জেলেরা হলেন ইন্দুরকানি উপজেলার চরবলেশ্বর গ্রামের ফিশিং ট্রলার মালিক মো. বেল্লাল ফকির, মাসুদ খন্দকার, বালিপাড়া গ্রামের বায়েজিদ শেখ, ফারুক মাতুব্বর, আল আমীন খান, ব্যাপসাবুনিয় গ্রামের রেজাউল ইসলাম, মো. হাবিবুর রহমান ও কলারোন চণ্ডীপুর গ্রামের ওহাব খান। এর মধ্যে ট্রলার মালিককে আট দিনের এবং বাকি সাত জেলেকে তিন দিন করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ভাণ্ডারিয়া থানাসংলগ্ন ইকো পার্কে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস।

উদ্ধার করা হাঙরের ওজন ৫০-৬০ মণ। এর আনুমানিক দাম ৫০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে বন বিভাগ।

থানা ও স্থানীয় সূত্র জানায়, অভিযুক্ত জেলেরা শুক্রবার রাতে গভীর সমুদ্রে হাঙর ধরে এফবি রিয়দ নামের একটি ফিশিং ট্রলারযোগে পিরোজপুরের পাড়েরহাট মত্স্য বন্দরের আড়তে সরবরাহের জন্য নিয়ে যাচ্ছিল। সংবাদ পেয়ে ভাণ্ডারিয়ার ইউএনও, কোস্ট গার্ডের পেটি অফিসার মো. মুর্তজা ও সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক মোহাম্মদ হোসেন কচা নদীর মোহনায় অভিযান চালিয়ে ট্রলারটি আটক করেন। পরে ট্রলারের তলদেশ থেকে বরফজাত ১৮টি হাঙর উদ্ধারসহ আট জেলেকে আটক করা হয়।

ভাণ্ডারিয়া থানার ওসি মো. কামরুজ্জামান তালুকদার জানান, উদ্ধার হাঙরগুলো বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

দণ্ডিত জেলেদের পাঠানো হয়েছে জেলহাজতে।

গাইবান্ধায় বাল্যবিয়ের আয়োজন, তিনজনের জেল

এদিকে গাইবান্ধা প্রতিনিধি জানান, সদর উপজেলার খোলাহাটি ইউনিয়নে বাল্যবিবাহ দেওয়ার চেষ্টার অপরাধে কনের (১৫) বাবা ও বরের ভাইকে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও বরকে এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

গতকাল আদালত পরিচালনা করেন ইউএনও আলিয়া ফেরদৌস জাহান। এর আগে শুক্রবার রাতে বিয়ে ভণ্ডুল করে দেয় পুলিশ। দণ্ডিত বর আল আমিন (১৮) ও তাঁর ভাই ইব্রাহিম আলী (৩৮) গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার শালমারা গ্রামের মৃত খায়রুল ইসলামের ছেলে।

সদর থানার ওসি এ কে এম মেহেদী হাসান জানান, গভীর রাতে ওই কনের সঙ্গে আল আমিনের বিয়ের প্রস্তুতি চলছিল। খবর পেয়ে পুলিশ রাত দেড়টার দিকে ঘটনাস্থলে যায়। এ সময় অন্যরা পালিয়ে গেলেও কনের বাবা, বর ও তাঁর ভাইকে আটক করা হয়। গতকাল তাঁদের নেওয়া হয় ভ্রাম্যমাণ আদালতে।


মন্তব্য