kalerkantho


দুই গৃহবধূ হত্যা যুবকের লাশ উদ্ধার

প্রিয় দেশ ডেস্ক   

৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে গৃহবধূকে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় স্বামীর দেওয়া আঘাতে আহত স্ত্রী মারা গেছেন।

নেত্রকোনায় বাড়ির পাশে জঙ্গলে বাঁশের সঙ্গে গলায় রশি বাঁধা অবস্থায় দিনমজুরের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর :

গাইবান্ধা : গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুক কানুপুর ইউনিয়নের দেবপুর গ্রামে গৃহবধূ শাহিনুর বেগমকে (২৬) কোদাল দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে। জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষ আনার মিয়া গতকাল শুক্রবার দুপুরে তাঁকে কুপিয়ে খুন করেন।

এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়, উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়নের দেবপুর গ্রামের প্রবাসী লিচু মিয়ার অনুপস্থিতিতে তাঁর স্ত্রী শাহিনুর বেগম জমি দেখাশোনা করতেন। গত বছর শাহিনুর বেগম একটি জমি প্রতিবেশী আনার মিয়াকে চাষাবাদ করতে দেন। কিন্তু জমির যত্নের অভাবে ফলন ভালো না হওয়ায় শাহিনুর বেগম এবার করিম মিয়া নামের একজনকে ওই জমির দায়িত্ব দেন। এ নিয়ে বাগিবতণ্ডার একপর্যায়ে আনার মিয়া তাঁর হাতের কোদাল দিয়ে শাহিনুরের মাথায় কোপ দেয়। তখন ঘটনাস্থলেই শাহিনুর মারা যান। গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি সুব্রত কুমার সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শাহিনুরের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা আধুনিক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া পৌর এলাকার দেবগ্রামে স্বামীর দেওয়া আঘাতে আহত স্ত্রী আয়েশা আক্তার (৩২) মারা গেছেন। গতকাল শুক্রবার ভোরে টঙ্গীর একটি হাসপাতালে ওই গৃহবধূ মারা যান। আজ শনিবার তাঁর লাশ আখাউড়ায় নিয়ে আসার কথা রয়েছে। ঘটনার পর থেকে পেশায় সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক স্বামী কানু মিয়া পলাতক রয়েছেন। এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. বাবুল মিয়া জানান, মোগড়া এলাকার ঋষিপাড়ার এক হিন্দু নারীকে বিয়ে করেন দেবগ্রামের বাসিন্দা কানু মিয়া। বিয়ের আগে মুসলমান হওয়া ওই নারীর নাম দেওয়া হয় আয়েশা আক্তার। পারিবারিক কলহের জের ধরে নির্যাতনের শিকার ওই নারী সম্প্রতি তাঁর স্বামীকে তালাক দেন। কিন্তু বাবার বাড়িতেও জায়গা না পেয়ে তিনি আবার স্বামীর কাছে চলে আসেন। গত ২৬ জানুয়ারি ওই নারীকে লাঠি দিয়ে পেটে আঘাত করেন কানু মিয়া।

আখাউড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আরিফ জানান, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

নেত্রকোনা : নেত্রকোনায় বাড়ির পেছনে জঙ্গলে বাঁশের সঙ্গে গলায় রশি বাঁধা অবস্থায় মাসুদ মিয়া (৩২) নামের এক দিনমজুরের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি সদর উপজেলার আমতলা গ্রামের আবদুল মন্নাফের ছেলে। গতকাল শুক্রবার সকালে নেত্রকোনা মডেল থানা পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

নেত্রকোনা মডেল থানার ওসি মো. আবু তাহের দেওয়ান জানান, দুর্বৃত্তরা ওই দিনমজুরকে শ্বাসরোধে হত্যা করে গলায় রশি পেঁচিয়ে বাঁশে ঝুলিয়ে রেখেছে।


মন্তব্য