kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


ইবিতে কাজ পেতে মরিয়া ছাত্রলীগ

কর্তাদের দরজায় নেতাদের লাথি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

২১ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) সড়ক মেরামতকাজ পেতে গতকাল বৃহস্পতিবার প্রশাসন ভবনের কর্মকর্তাদের ওপর ছাত্রলীগের নেতারা চড়াও হয়েছেন। এ সময় কর্মকর্তাদের দরজায় নেতারা লাথি মারেন।

এতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

জানা যায়, বর্তমান উপাচার্য ড. হারুন উর রশিদ আসকারি গত ২১ আগস্ট যোগদানের পর থেকে ছাত্রলীগের সঙ্গে সখ্য গড়ে ওঠে। উপাচার্য সব কাজে স্বচ্ছতা আনার চেষ্টা করেন। এতে ছাত্রলীগের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়। বিভিন্ন সময়ে প্রশাসনের কাছে নানা দাবি জানিয়ে আসছে ছাত্রলীগ। নিয়মবহির্ভূত দাবি প্রত্যাখ্যান করে আসছে বর্তমান প্রশাসন। এতে কিছুদিন ধরে প্রশাসনের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে আছেন নেতারা। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ রাস্তা মেরামতের জন্য ১০ লাখ টাকার আনুমোদন দেয় প্রশাসন। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম আনুযায়ী, কাজটি দরপত্রের মাধ্যমে করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে দরপত্র ছাড়াই এ কাজ পেতে মরিয়া হয়েছেন ইবি ছাত্রলীগ সভাপতি সাইফুল ইসলাম ও সম্পাদক অমিত কুমার দাস।

কাজের দাবি নিয়ে গতকাল সকালে উপাচার্যের সঙ্গে কথা বলতে প্রশাসন ভবনে যান সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। এ সময় তাঁদের সঙ্গে ছিলেন সাবেক ছাত্রলীগের নেতাকর্মী ও চাকরিপ্রত্যাশীরা। এ সময় বিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষকদের সঙ্গে পূর্বনির্ধারিত মতবিনিময় সভায় অংশ নিতে বিজ্ঞান ভবনে যান উপাচার্য। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করে উপাচার্যের সাক্ষাৎ না পেয়ে প্রশাসন ভবনে হট্টগোল শুরু করেন ছাত্রলীগ নেতারা। তাঁরা প্রশাসন ভবনের বিভিন্ন কর্মকর্তার কক্ষের দরজায় লাথি মারেন বলে জানিয়েছে প্রত্যক্ষদর্শীরা।

ইবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক অমিত কুমার দাস বলেন, ‘আমরা দরপত্র বা কোনো কাজের দাবিতে উপাচার্যের কাছে যাইনি। প্রশাসনের বিভিন্ন দায়িত্বে বিএনপি-জামায়াতের শিক্ষকদের পদ দেওয়া হলে আমরা এর প্রতিবাদ জানাতে গিয়েছিলাম। ’

উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন উর রশিদ আসকারি বলেন, ‘ছাত্রলীগের ছেলেদের সঙ্গে একটু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। ’


মন্তব্য