kalerkantho

বুধবার । ৭ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।

১ম ক লা ম

জুতাপেটা

পিরোজপুর প্রতিনিধি   

২০ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



পিরোজপুরের নাজিরপুরে স্কুল ছাত্রীকে যৌন হয়রানি করার অভিযোগে এক তরুণকে সালিস বৈঠকে জুতাপেটা করা হয়েছে। এ সময় ছেলেকে নির্দোষ দাবি করলে তরুণটির বাবাকে জুতাপেটা করে ক্ষুব্ধ লোকজন।

ঘটনাটি ঘটে গতকাল বুধবার। প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় একরাম আলী জানান, গতকাল সকালে উপজেলার কলারদোয়ানিয়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এক ছাত্রী বিদ্যালয়ে যাচ্ছিল। পথে কলারদোয়ানিয়া ইউনিয়নের হ্যাচাখালী এলাকায় স্থানীয় তরুণ মো. ফয়সাল সুতার (১৮) ওই ছাত্রীকে প্রেমের প্রস্তাব দেয়। এতে রাজি না হওয়ায় ছাত্রীকে রাস্তার ওপর টেনেহিঁচড়ে ফেলে দেয় ফয়সাল। ঘটনাটি দেখে এলাকাবাসী মোহাম্মদ একরাম আলী ফয়সালকে ধাওয়া দেন এবং ছাত্রীটিকে উদ্ধার করে বিদ্যালয়ে নিয়ে যান। ঘটনাটি বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক নুরে আলমকে জানালে তিনি স্থানীয়দের সহায়তায় ফয়সালকে ধরে বিদ্যালয়ে নিয়ে আসেন।

নুরে আলম জানান, ধরে আনার পরে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. সাইদুল বাহাদুর ঝান্টু, বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক বেদার উদ্দিন তালুকদার, কলারদোয়ানিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম ও উপজেলা যুবলীগ সহসভাপতি মো. কবির বাহাদুরের উপস্থিতিতে সালিস বৈঠক হয়। সালিসে ফয়সালকে ৫০ বার জুতাপেটার রায় দেওয়া হয়। এ সময় ফয়সালের বাবা ছেলেকে নির্দোষ দাবি করলে উত্তেজিত লোকজন তাকে ১০ বার জুতাপেটা করে। চেয়ারম্যান সাইদুল বাহাদুর বলেন, যৌন হয়রানির বিচারকাজ স্থানীয়ভাবে করার বিধান না থাকলেও স্থানীয়দের অনুরোধে করতে হয়েছে।


মন্তব্য