kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০১৬। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


চাল না পেয়ে ফিরে যাচ্ছে দরিদ্ররা

রাজবাড়ী প্রতিনিধি   

১৯ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



চাল না পেয়ে ফিরে যাচ্ছে দরিদ্ররা

রাজবাড়ী জেলা সদরের মিজানপুর ইউনিয়নে ১০ টাকা কেজি চাল কিনতে না পেরে গতকাল মঙ্গলবার সকালে বাড়ি ফিরে গেছেন কয়েক শ কার্ডধারী। তাঁরা কবে চাল তুলতে পারবেন তা জানাতে পারেননি ডিলাররা।

এ জন্য তাঁরা সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রককে দায়ী করেছেন। খাদ্য নিয়ন্ত্রক ঘুষ না পেয়ে ডিলারদের চাল দেননি।

ডিলার মনোয়ার হোসেন মনো জানান, মিজানপুর ইউনিয়নে এক হাজার ৪২৩ জন কার্ডধারীর মধ্যে চাল বিক্রির জন্য দুজন ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ৭১৩ জন কার্ডধারীকে চাল দেওয়ার জন্য নিযুক্ত করা হয়। ২১ মেট্রিক টন (১০০০ কেজিতে এক মেট্রিক টন) ৩৯০ কেজি চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। গত সেপ্টেম্বরে তিনি ডিলার হিসেবে নিয়োগ পান। চাল উত্তোলনের জন্য রাজবাড়ী সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক গোপাল চন্দ্র দত্তের কাছে যান। নিয়ন্ত্রক গড়িমসি করেন এবং ১০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। বাধ্য হয়ে তিনি আট হাজার টাকা দেন। বাকি দুই হাজার টাকাও দিতে বলেন। ওই টাকা না দেওয়ায় তাঁর ডিলারশিপ বাতিলের হুমকি দেন। পরবর্তী সময় অক্টোবরের প্রথমে ১১ টন ৩৯০ কেজি চাল তাঁকে বরাদ্দ দেওয়া হয়। ১০ টন চাল গত সোমবারের মধ্যে প্রদান এবং তা গতকাল কার্ডধারীদের মধ্যে বিক্রির কথা ছিল। অথচ খাদ্য নিয়ন্ত্রক ফের ১০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। এ টাকা দিতে অস্বীকার করায় নতুন ডিলার নিয়োগ দেওয়ার পাঁয়তারা করেন। অনিয়মের বিষয়টি অভিযোগ আকারে লিখিতভাবে গত সোমবার ইউএনওকে জানানো হয়েছে। রাজবাড়ী সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক গোপাল চন্দ্র দত্ত বলেন, ‘ঘুষ চাইনি। মূলত মিজানপুর ইউনিয়নে আরো একজন ডিলার নিয়োগ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। নতুন ডিলারকেও চাল বরাদ্দ দেওয়া হবে। তাই ওই দুজনকে চাল উত্তোলনের ডিও দেইনি। ’ রাজবাড়ী সদর ইউএনও সৈয়দা নুর মহল আশরাফি বলেন, ‘অভিযোগ দুটি খতিয়ে দেখতে সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রকিব উদ্দিনকে প্রধান করে এক সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ’


মন্তব্য