kalerkantho


কাপাসিয়া

ছাত্রীকে ধর্ষণ, বাড়িতে আগুন দেওয়ার হুমকি

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, গাজীপুর   

১৯ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার বারিষাব ইউনিয়নে ধর্ষণের ঘটনা জানাজানি হলে মেয়ের বাড়িতে আগুন দেওয়ার হুমকি দিয়েছে বখাটেরা। অসুস্থ মেয়েটিকে রক্তাক্ত অবস্থায় প্রথমে কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে তাকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী ওই মেয়ে (১২) জানায়, গত রবিবার রাতে সে তার বাবার চায়ের দোকানে বসেছিল। ওই সময় প্রতিবেশী চান মিয়ার ছেলে শামসুজ্জামান (২০) বাড়িতে কেউ না থাকায় রাতে খাওয়ার জন্য একটি ডিম ভেজে দেওয়ার কথা বলে। তার বাড়িতে ডিম ভাজার সময় নির্যাতন চালায় ওই যুবক।

মেয়ের বাবা জানান, চিকিৎসার জন্য মেয়েকে হাসপাতালে নেওয়ার পর ওই যুবক ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। সহযোগীদের নিয়ে বাড়ি এসে হুমকি দিয়েছে। ঘটনা ‘আর একটি লোক জানলে বাড়ি জ্বালিয়ে’ দেওয়া হবে বলে শাসিয়েছে।

গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের গাইনি কনসালট্যান্ট তাছলিমা আক্তার লিপি বলেন, ‘মেয়েটিকে যৌন নির্যাতন করা হয়েছে। এর আলামত পাওয়া গেছে।

কাপাসিয়া থানার ওসি আবু বকর সিদ্দিক বলেন, ‘অভিযোগ পেলে মামলা নেওয়া হবে। ’

মাদ্রাসা তত্ত্বাবধায়ক সাময়িক বরখাস্ত

একই উপজেলার একটি বালিকা দাখিল মাদ্রাসার তত্ত্বাবধায়ক (সুপারিনটেনডেন্ট) মো. শহীদুল্লাহকে গত সোমবার সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। যৌন হয়রানির শিকার এক ছাত্রী গত ১০ অক্টোবর কাপাসিয়া থানায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করে। গত ৯ অক্টোবর ৪৫ জন ছাত্রী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করে। এর মধ্যে তিনজন ছিল শিক্ষকের নিগ্রহের শিকার।

কাপাসিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রাসেল কবির বলেন, ‘পালিয়ে যাওয়ায় ওই শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা যায়নি। ’

মাদ্রাসা পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ওয়াজ উদ্দিন মোল্লা বলেন, ‘অভিযুক্তকে বরখাস্ত ও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ’

কাপাসিয়ার ইউএনও আনিছুর রহমান বলেন, ‘তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ’


মন্তব্য