kalerkantho


বাউফলে সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে নারীকে হত্যা

চার স্থানে ডাকাতসহ চারজনের লাশ

প্রিয় দেশ ডেস্ক   

১৯ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



পটুয়াখালীর বাউফলে সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে এক নারীকে শ্বাসরোধে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। একই জেলার গলাচিপায় ড্রেনে পাওয়া গেছে এক যুবকের লাশ।

অন্যদিকে হবিগঞ্জ সদরে নদী থেকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত এক ডাকাতের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ছাড়া ফরিদপুরের সদর ও ভাঙ্গায় দুই নারীর মরদেহ পাওয়া গেছে।

পটুয়াখালী : বাউফল উপজেলায় সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে আলেয়া বেগম নামের এক নারীকে শ্বাসরোধে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় ঘরের মালামাল লুটসহ তছনছ করা হয়। গত সোমবার রাতে উপজেলার কারখানা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে গতকাল মঙ্গলবার সকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে পটুয়াখালী মর্গে পাঠায় পুলিশ। লাশের হাত-পা বাঁধা ছিল। পরিবার সূত্রে জানা যায়, চাকরির সুবাদে আলেয়ার স্বামী মো. সুলতান খান বাড়ির বাইরে থাকেন। তাঁদের একমাত্র মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। বেশির ভাগ সময় আলেয়া বাড়িতে একাই থাকতেন। এ ব্যাপারে বাউফল থানার ওসি আযম খান ফারুকী বলেন, ‘পুলিশ হত্যার কারণ উদ্ঘাটনসহ অপরাধীদের চিহ্নিত করার জন্য তদন্ত শুরু করেছে। ’ এদিকে গলাচিপা পৌরসভার সবুজবাগ এলাকায় ড্রেন থেকে গতকাল মঙ্গলবার সকালে মো. নিজামউদ্দীন নিজাম ব্যাপারী নামের এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আগের দিন সোমবার রাত থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। নিজামকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তাঁর ভাই মো. হাসান ব্যাপারী। গলাচিপা থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক মোল্লা বলেন, ‘বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ’

হবিগঞ্জ : সদর উপজেলার সুতাং নদী থেকে কামাল মিয়া নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত এক ডাকাতের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে গোড়াবই এলাকায় নদী থেকে লাশটি উদ্ধার করে হাসপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ।

ফরিদপুর : ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে গতকাল মঙ্গলবার সকালে রাশেদা বেগম নামের এক নারীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। লাশের ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। রাশেদা উপজেলার দিঘলকান্দা গ্রামের কাঠমিস্ত্রি আজিজুল মাতুব্বরের স্ত্রী। ভাঙ্গা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবুল কালাম আজাদ জানান, পারিবারিক কলহের জেরে গত সোমবার রাতে রাশেদা বিষপান করেন। পরিবারের লোকজন তাঁকে হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ কথা শুনে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন রাশেদার লাশ ফেলে পালিয়ে যায়। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে। তবে রাশেদার ভাই মজিবর রহমান অভিযোগ করেন, স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাঁর বোনকে হত্যার পর মুখে বিষ ঢেলে আত্মহত্যার ঘটনা সাজিয়েছে।

এদিকে সদর উপজেলার পশ্চিম ভাষাণচর গ্রামের একটি মেহগনিবাগান থেকে হেলেনা বেগম নামের এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায় পুলিশ। লাশের নাক-মুখ রক্তাক্ত ছিল। পুলিশের ধারণা, ওই নারীকে হত্যা করা হয়েছে। হেলেনা ওই গ্রামের আব্দুর সাত্তারের (মৃত) স্ত্রী। তাঁর মেয়ে চম্পার বিয়ে হয়ে গেছে। দুই ছেলের মধ্যে মো. খোকন ঢাকায় থাকেন। আরেক ছেলে মো. টোকন তাঁর সঙ্গে বাড়িতেই থাকেন।


মন্তব্য