kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বেসরকারি হাসপাতাল

মালিকানা দ্বন্দ্বে ভাঙচুর, রোগী জিম্মি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি   

১৬ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পৌর আধুনিক সুপার মার্কেটের গ্র্যান্ড হাসপাতালের মালিকানা নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরে শনিবার লঙ্কাকাণ্ড ঘটেছে। একটি পক্ষ হাসপাতালে ঢুকে ভাঙচুর চালায় ও রোগীসহ অন্যদের জিম্মি করে রাখে।

পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এদিকে এ ঘটনায় কসবা উপজেলার বাসিন্দা জিয়াউল হক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার কাজীপাড়ার আফরিন খন্দকার, উত্তর মৌড়াইলের রবিন ভূইয়া, রাসেল ভূইয়া, এনামুল হক, হারিজ মিয়া ও তার ছেলে মো. মুত্তাকিনকে আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গ্র্যান্ড হাসপাতালের পজিশন চুক্তি নিয়ে জিয়াউল হকের সঙ্গে ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ইব্রাহিম খান সাদাতের বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে একাধিক সালিস বৈঠক হলেও কোনো সুরাহা হয়নি। এ বিরোধকে কেন্দ্র করে পজিশন দখল করতে গতকাল সকালে জিয়াউলসহ সাতজন হাসপাতালে ঢোকে। একপর্যায়ে তারা হাসপাতালের ভেতরে কয়েকটি কেবিনসহ অস্ত্রোপচার কক্ষে ভাঙচুর চালায়। এ সময় হাসপাতালে ভর্তি থাকা সাতজন রোগী, ছয়-সাতজন কর্মী ও চিকিৎসক কৌশিক আহমেদকে তারা জিম্মি করে রাখে। হামলাকারীরা দীর্ঘ সময় একটি কক্ষে বসে থাকে। পরে পুলিশ এসে তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

হাসপাতালে ভর্তি রোগী সীমা রানী বিশ্বাস বলেন, ‘সকালে কয়েকজন লোক এসে প্রথমেই আমাদের মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়। বাইরে যেতে নিষেধ করে। পরে পুলিশ এসে আমাদের উদ্ধার করে। ঘটনা চলাকালে গুলির শব্দ শুনেছি। ’

গ্র্যান্ড হাসাপাতালের এমডি ইব্রাহিম খান বলেন, ‘হাসপাতাল চালুর আগে জিয়াউলকে চেয়ারম্যান করা হবে বলে আমরা একটি সিদ্ধান্ত নিই। কিন্তু সে কথামতো টাকা দিতে না পারায় নির্মাণকাজ দেখার দায়িত্ব দেওয়া হয়। এটিসহ অন্যান্য কাজ থেকে সে অনেক টাকা আত্মসাৎ করেছে। ’ সদর থানার হাজতে আটক থাকা জিয়াউল হক জানান, শুরু থেকে তিনি ওই হাসপাতালের চেয়ারম্যান। হাসপাতালের পজিশনের ৪০০ বর্গফুট জায়গা তিনিসহ সাতজন মিলে কিনেছেন।


মন্তব্য