kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০১৬। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


ঝালকাঠি হ্যান্ডলিং শ্রমিক

ভোটে হেরে রামদা নিয়ে হামলা

ঝালকাঠি প্রতিনিধি   

১৬ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



ঝালকাঠি হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচনে সাংগঠনিক সম্পাদক পদে পরাজিত প্রার্থী ও তাঁর সমর্থকরা বিজয়ী প্রার্থীর ওপর রামদা নিয়ে হামলা করেছে। গত শুক্রবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে শহরের আড়তদার পট্টি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঝালকাঠির শ্রমিকদের সবচেয়ে বড় সংগঠন হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন। এর নির্বাচন গত শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয়। দিনভর ভোট শেষে সন্ধ্যায় ফল ঘোষণা করা হয়। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে নির্বাচিত হন আবুল কালাম। এতে ক্ষিপ্ত হন তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী পরাজিত প্রার্থী কালাম হাওলাদার। ফল ঘোষণার পর নবনির্বাচিত সাংগঠনিক সম্পাদক সমর্থকদের নিয়ে বাড়ি যাচ্ছিলেন। পথে পরাজিত প্রার্থী ও তাঁর সমর্থকরা লাঠিসোঁটা ও রামদা নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করা হয় আবুল কালাম, তাঁর সমর্থক রেজা, পলাশ, জাকির, ফারুক, নাসির, দুলাল ও মিলনকে। আহতদের মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাতে রেজা, পলাশ ও জাকিরকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

নবনির্বাচিত কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম অভিযোগ করে বলেন, ‘নির্বাচনের আগে সংগঠনের সভাপতি পদপ্রার্থী (নবনির্বাচিত সভাপতি) ঝালকাঠি পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর হুমায়ুন কবির আমাকে সাংগঠনিক সম্পাদক পদে প্রার্থী হতে নিষেধ করেন। এই পদে তিনি পছন্দের প্রার্থী কালাম হাওলাদারকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করানোর ঘোষণা দেন। আমি তাঁর কথা না শুনে নির্বাচনে অংশ নিয়ে বিজয়ী হয়েছি। এতে তিনি ও পরাজিত প্রার্থী আমার ওপর ক্ষিপ্ত হন। এ জন্য আমাদের ওপর হামলা করেন। ’

ঘটনার পর থেকে কালাম হাওলাদার গা ঢাকা দেওয়ায় তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়নের নবনির্বাচিত সভাপতি হুমায়ুন কবির বলেন, ‘শ্রমিকদের মধ্যে একটু মারামারি হয়েছে। এখানে আমার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। ’

ঝালকাঠির জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার এম এম মাহমুদ হাসান বলেন, ‘ঘটনাস্থল থেকে জড়িত সন্দেহে সঞ্জয় দাসকে আটক করা হয়েছে। কোনো অভিযোগ না পাওয়ায় ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না। ’

 


মন্তব্য