kalerkantho

শনিবার । ৩ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


গাজীপুরের বনে নিখোঁজ ব্যবসায়ীর লাশ

আশুলিয়ায় নারী শ্রমিকের মরদেহ

প্রিয় দেশ ডেস্ক   

১৫ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



গাজীপুরে নিখোঁজের সাত দিন পর গজারি বনে এক ব্যবসায়ীর লাশ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে জেলা ডিবি পুলিশ।

এ ছাড়া আশুলিয়ায় ভাড়া বাসা থেকে এক নারী পোশাক শ্রমিকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বিস্তারিত কালের কণ্ঠ’র নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরে :

গাজীপুর : সদর উপজেলায় নিখোঁজের সাত দিন পর মনিরুজ্জামান নামের এক ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার পিঙ্গাইল এলাকায় রাজেন্দ্র ইকো রিসোর্টের পাশে গজারি বন থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় মনিরুজ্জামানের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও সাইকেলও উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত তিনজনকে আটক করা হয়েছে। তারা হলো পিঙ্গাইল পূর্বপাড়া গ্রামের ফটিক বর্মণের ছেলে লিটন চন্দ্র বর্মণ, একই উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের নয়ন বর্মণের ছেলে প্রদীপ বর্মণ ও কাপাসিয়া উপজেলার চকবড়হর নুতনবাজার গ্রামের অতুল বাবুর ছেলে প্রদীপ বাবু। ব্যবসায়ী মনিরুজ্জামান কুমিল্লার লাকসামের হাসানুজ্জামানের ছেলে। তিনি পিঙ্গাইল এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। এ ব্যাপারে গাজীপুরের পুলিশ সুপার হারুন অর রশীদ জানান, মনিরুজ্জামান ওই রিসোর্টে খাবার ও স্টেশনারি মালপত্র সরবরাহের ব্যবসা করতেন। ৬ অক্টোবর বাসা থেকে বের হওয়ার পর তিনি নিখোঁজ হন। এ ঘটনায় তাঁর ভাই কাওসার আহম্মেদ ১০ অক্টোবর জয়দেবপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। ওই ব্যবসায়ীর মোবাইল ফোনের কললিস্টের সূত্র ধরে বৃহস্পতিবার ওই তিনজনকে আটক করা হয়। পরে তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী রাতেই ওই রিসোর্টের পাশের গজারি বন থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

সাভার (ঢাকা) : আশুলিয়া থানার বাইপাইল পশ্চিমপাড়া দরগারগেট এলাকায় ভাড়া বাসা থেকে ফাহিমা বেগম নামের এক নারী পোশাক শ্রমিকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার সকালে লাশটি উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। পুলিশের ধারণা, পারিবারিক কলহের জেরে ফাহিমাকে তাঁর স্বামী মজনু মিয়া জবাই করে হত্যা করেছে। ঘটনার পর থেকে মজনু পলাতক রয়েছেন। স্বামী-স্ত্রী দুজনই আশুলিয়ার বেরণ এলাকায় ফাউন্টেন নামের একটি পোশাক কারখানার শ্রমিক। এ ঘটনায় ফাহিমার মা বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন। আশুলিয়া থানার ওসি মহাসিনুল কাদির বলেন, পলাতক মজনুকে আটকের চেষ্টা চলছে।


মন্তব্য