kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


চলছে ‘দুই নম্বরি’

চার উপজেলায় বিক্রি শুরু হয়নি

নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার   

১৫ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



চলছে ‘দুই নম্বরি’

কক্সবাজারের আট উপজেলার মধ্যে চার উপজেলায় এখনো ১০ টাকা কেজির চাল বিক্রি শুরু হয়নি। সময়মতো উপকারভোগী, ডিলার ও বিক্রয় প্রতিনিধিদের তালিকা না করায় দরিদ্র মানুষের জন্য নেওয়া সরকারের উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

গত সেপ্টেম্বরে বরাদ্দ করা চাল থেকে বঞ্চিত হয়েছে উপকূলীয় অঞ্চলের ৫৮ হাজার ৮০৩ পরিবার।

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, প্রতি মাসে কেজিতে ১০ টাকা করে ৩০ কেজি চাল পাবে দরিদ্ররা। কিন্তু গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ে চারটি উপজেলার উপকারভোগীদের তালিকা এসে পৌঁছে। এগুলো হচ্ছে কুতুবদিয়া, পেকুয়া, কক্সবাজার সদর ও চকরিয়া। উপকারভোগীদের তালিকা পাওয়ার পর উপজেলা চারটিতে কার্যক্রম শুরু করা হয়।

অন্যদিকে টেকনাফ, উখিয়া, রামু ও মহেশখালীতে এখনো উপকারভোগীদের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়নি। উপকারভোগী, ডিলার ও বিক্রয় প্রতিনিধি নিয়োগের জন্য ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে পৃথক কমিটি রয়েছে। উপজেলা পর্যায়ের একজন বিভাগীয় কর্মকর্তার নেতৃত্বে ইউনিয়ন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নেতৃত্বে রয়েছে উপজেলা কমিটি।

উখিয়া ও রামু উপজেলার দায়িত্বে নিয়োজিত উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ শাহজামাল বলেন, ‘তালিকার জন্য উপজেলা কমিটিকে জানালে তারা দোষ দেয় ইউনিয়ন কমিটিকে। ইউনিয়ন কমিটিকে বললে তারা জানায়, চেয়ারম্যান-মেম্বাররা তালিকা দিচ্ছেন না। এভাবে দোষারোপে যাচ্ছে দিন। ’

এদিকে তালিকা না করা প্রসঙ্গে মহেশখালীর ইউএনও মো. আবুল কালাম বলেন, ‘ইউপির চেয়ারম্যানরা একটু অস্বাভাবিক বিলম্ব করে ফেলেছে। তবে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই তালিকা প্রস্তুতের কাজ শেষ হলে চাল দেওয়ার কার্যক্রম পুরোদমে শুরু হবে। ’

খাদ্য অফিসের নীতিমালা অনুযায়ী, মাসের বরাদ্দ মাসে উত্তোলন করা না গেলে সেই বরাদ্দ বাতিল বলে গণ্য হবে। ইতিমধ্যে সেপ্টেম্বরের দুই হাজার ৬৩১ মেট্রিক টন চালের মধ্যে উত্তোলন না করায় এক হাজার ৭৬৪ মেট্রিক টন চালের বরাদ্দ বাতিল হয়ে গেছে। অভিযোগ উঠেছে, খোদ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়েও যথাসময়ে উপকারভোগীদের তালিকা পাওয়ার ব্যাপারে তোড়জোড় করেনি। এমনকি গত বৃহস্পতিবার অফিসে গিয়েও সাক্ষাৎ মিলেনি জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের।

তবে গতকাল শুক্রবার মুঠোফোনে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক এস এম তাহসিনুল হক কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘উপজেলা থেকে উপকারভোগীদের তালিকা সময়মতো না পাওয়ায় চাল বিক্রির পুরো কার্যক্রম শুরু করা যায়নি। আশা করি, অতিসত্বর পাব। পেলেই পুরো কার্যক্রম শুরু করা হবে। ’

 

 


মন্তব্য