kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


মনপুরায় কথিত বন্দুকযুদ্ধ, ৯ জলদস্যু আটক

ভোলা প্রতিনিধি   

১৫ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



ভোলার মনপুরার মেঘনা নদীতে কথিত বন্দুকযুদ্ধের পর ৯ জলদস্যুকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধের পর নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার উড়িরচর কেওড়া বনের ঘাঁটি থেকে ওই জলদস্যুদের আটক করা হয়।

এ সময় বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লালমোহন সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলাম, মনপুরা থানার ওসি শাহীন খান ও এসআই মোফাজ্জল হোসেনের নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের একটি দল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মনপুরার মেঘনা নদীতে অভিযানে নামে। তারা জলদস্যুদের ঘাঁটি নামে পরিচিত নোয়াখালীর হাতিয়ার উড়ির চরে গেলে জলদস্যুরা উপর্যুপরি গুলি ছোড়ে। এ সময় পুলিশও জলদস্যুদের ওপর অন্তত পাঁচ রাউন্ড পাল্টা গুলি ছোড়ে। দীর্ঘ প্রায় তিন ঘণ্টা পুলিশের সঙ্গে জলদস্যুদের কথিত বন্দুকযুদ্ধ হয়। পরে সেখান থেকে পুলিশ জলদস্যু ফখরুল ইসলাম, মনির, আবদুল মালেক, শামসুউদ্দিন, শহিদুল, সোহেল, সোহরাব, সেলিমউদ্দিন ও রাহাতকে আটক করে। এ সময় জলদস্যুদের কাছ থেকে বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। মনপুরা থানার ওসি শাহীন খান বলেন, এ ঘটনায় মনপুরা থানায় একটি ডাকাতি মামলা করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে লালমোহন সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা দেশীয় অস্ত্রসহ ৯ জলদস্যুকে আটক করেছি। তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ’


মন্তব্য