kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০১৬। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কারসাজি

দাউদকান্দি (কুমিল্লা) প্রতিনিধি   

১২ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কারসাজি

হতদরিদ্রের জন্য বরাদ্দ চাল প্রতি বস্তায় (৫০ কেজি) ৪৬ কেজি দেওয়া হচ্ছে। এ কারণে কুমিল্লার দাউদকান্দি ও মেঘনা উপজেলার ডিলাররা বেকায়দায় পড়েছেন।

খাদ্য নিয়ন্ত্রকের অনিয়মের কারণে অনেকে ডিলারশিপ ফেরত দিতে চাচ্ছেন।

গত সোমবার সরেজমিনে গিয়ে ডিলাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উপজেলা গুদাম থেকে চাল আনার পর ৫০ কেজি ওজনের বস্তায় ৪৬ কেজি পাওয়া যাচ্ছে। দাউদকান্দি খাদ্যগুদামে চাল আসার পর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের একটি সিন্ডিকেট প্রতি বস্তা থেকে তিন-চার কেজি চাল সরিয়ে ফেলে। এ কর্মকর্তার নিয়ন্ত্রণে সাড়ে ১৬ হাজার কার্ডধারীর জন্য বরাদ্দ ৯ হাজার ৯০০ বস্তা চাল। প্রতি বস্তা থেকে চার কেজি করে কম দেওয়া হলে প্রায় সাড়ে তিন মেট্রিক টন চাল কম দেওয়া হয়। চালের বস্তা ওজন ছাড়া ডিলারদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়। ডিলাররা যখন হতদরিদ্রদের মধ্যে সেই চাল বিতরণ করেন তখন ওজনের কারসাজি ধরা পড়ে। ইতিমধ্যে দাউদকান্দি উপজেলার ২২ জন ও মেঘনা উপজেলার আটজন ডিলার ওজনে কম হওয়ার বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) জানিয়েছেন। অভিযোগ পাওয়ার পর ইউএনও সরেজমিনে গৌরীপুর, জিংলাতলীসহ ছয়জন ডিলারের চালের বস্তায় ওজন কম দেখেছেন।

জিংলাতলী ইউনিয়নের ডিলার আবদুল করিম ভুইয়া বলেন, ‘উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক গুদাম থেকে আমাদের ওজন ছাড়াই বস্তা গাড়িতে তুলে দেন। পরে কার্ডধারীর কাছে ৩০ কেজি দেওয়ার সময় বস্তাপ্রতি তিন-চার কেজি কম পেয়েছি। ’

দাউদকান্দি উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘চালের বস্তায় কম গেছে নাকি বেশি গেছে এ নিয়ে আপনার নিকট জবাব দেব না। ’

দাউদকান্দি ইউএনও মো. আল আমিন বলেন, ‘খাদ্য কর্মকর্তা, ইউপি চেয়ারম্যান ও ডিলারদের নিয়ে উপজেলা মিলনায়তনে গত সোমবার সভা করেছি। এর পর থেকে প্রত্যেক ডিলার তাঁদের বরাদ্দ চাল গুদাম থেকে মেপে নেবেন। ডিলার চাল ঠিকভাবে বুঝে না নিলে এর জন্য অন্য কেউ দায়িত্ব নেবে না। ’


মন্তব্য