kalerkantho

শনিবার । ৩ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


শ্রীনগরে থানা থেকে আসামি ‘পালাল’

ওসির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি   

১১ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে এসিড নিক্ষেপ মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তারের পর থানা থেকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে এ ঘটনা ধামাচাপা দিতে থানার সব সিসি ক্যামেরা অকেজো করে দেওয়া হয়।

এদিকে শ্রীনগর থানার ওসির বিরুদ্ধে ওঠা ওই অভিযোগ তদন্তের জন্য অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ২ অক্টোবর দুপুরে শ্রীনগরের বালাসুর এলাকা থেকে এসআই মো. রহমত আলীর নেতৃত্বে এসিড নিক্ষেপ মামলার প্রধান আসামি দিদার মুন্সীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে বিকেলে শ্রীনগর থানা হাজত থেকে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ ব্যাপারে এসআই রহমত আলী বলেন, গ্রেপ্তারের পর আসামিকে থানা হাজতে নেন তিনি। এরপর সে কিভাবে ছাড়া পেয়েছে, তা তাঁর জানা নেই।

এদিকে আসামি ছেড়ে দেওয়ার ঘটনা জানাজানি হয়ে গেলে রেকর্ড মুছে ফেলতে শ্রীনগর থানার সব সিসি ক্যামেরা অকেজো করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর আগে সিসি ক্যামেরা ভালো ছিল বলেও জানা গেছে।

তবে শ্রীনগর থানার ওসি সাহিদুর রহমান দাবি করেন, ‘আসামি দিদার মুন্সীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ, এ কথা সত্য। তবে থানায় নিয়ে আসার পথে কিভাবে পালিয়ে গেছে, তা আমার বোধগম্য নয়। আর সিসি ক্যামেরা এক মাস আগে থেকেই খারাপ হয়ে আছে। ’

মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম জানান, থানা হাজত থেকে আসামি ছেড়ে দেওয়ার ঘটনা তদন্ত করে রিপোর্ট দিতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মোস্তাফিজুর রহমানকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, গত ৮ সেপ্টেম্বর রাতে উপজেলার বালাসুর এলাকার এক মেয়েকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করে দিদার মুন্সীর নেতৃত্বে দুর্বৃত্তরা। এ সময় মেয়েকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে তার মায়ের ওপর এসিড ছুড়ে মারে তারা। গুরুতর অবস্থায় তাঁকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে এ ঘটনায় দিদার মুন্সীকে প্রধান আসামি করে ছয়জনের বিরুদ্ধে শ্রীনগর থানায় মামলা করা হয়।


মন্তব্য