kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০১৬। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


আশুলিয়া কালিয়াকৈরে বিচ্ছিন্ন ২৩০০ গ্যাস সংযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, সাভার (ঢাকা)   

১১ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



আশুলিয়ায় তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ প্রায় এক হাজার ৩০০ পরিবারের অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে। সোমবার দুপুরে আশুলিয়ার কবিরপুর বুড়িরটেক এলাকায় সাভার তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কম্পানির ব্যবস্থাপক (বিক্রয়) প্রকৌশলী সিদ্দিকুর রহমানের নেতৃত্বে এ অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।

সাভার তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কম্পানির প্রকৌশলী ব্যবস্থাপনা (বিক্রয়) সিদ্দিকুর রহমান জানান, কয়েক মাস আগে আশুলিয়ার কবিরপুর বুড়িরটেক এলাকায় প্রতিটি বাড়িতে অবৈধ গ্যাস সংযোগ দেন এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তিরা। তাঁরা প্রত্যেক পরিবারের কাছে থেকে ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা করে হাতিয়ে নেন। পরে সোমবার দুপুরে ওই এলাকার মাটি খুঁড়ে দুই ইঞ্চি ব্যাসার্ধের প্রায় তিন হাজার ১০০ ফুট লোহার পাইপ ও রাইজার জব্দ করা হয়। জব্দ হওয়া লোহার পাইপগুলো ছিল নিম্নমানের। এ থেকে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার শঙ্কা ছিল বলে জানান তিনি। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক বা জরিমানা করা হয়নি। এ সময় তিতাস গ্যাসের ৪০ জন শ্রমিক অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন কাজে অংশ নেয়। এ সময় ওই এলাকায় যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। অবৈধ গ্যাস সংযোগ ব্যবহারকারীর বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় মামলা করা হবে বলে জানিয়েছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।

অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্নকালে উপস্থিত ছিলেন সাভার তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কম্পানির উপব্যবস্থাপক প্রকৌশলী আতিকুল ইসলাম, মমতাজুল ইসলাম ও সহকারী ব্যবস্থাপক আনিছুজ্জামান।

এদিকে কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি জানান, গাজীপুরের কালিয়াকৈরের উলুসাড়া, বাড়ইপাড়া ও হাবিবপুর নামে তিন গ্রামে এক হাজার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কর্তৃপক্ষ। সোমবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত অভিযানে এসব অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। এ সময় এক হাজার ২০০ ফুট পাইপ জব্দ করা হয়েছে।

তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রায় দেড় বছর আগে ওই তিন গ্রামে অবৈধ গ্যাস সংযোগ দেয় স্থানীয় দালালরা। পরে তারা সংযোগগুলো বৈধ করার কথা বলে রাইজারপ্রতি ৫০ থেকে ৬০ হাজার করে টাকা হাতিয়ে নেয়। বিষয়টি তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কর্তৃপক্ষের নজরে এলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন কার্যক্রম শুরু হয়। অভিযানের নেতৃত্ব দেন তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কম্পানি লিমিটেড চন্দ্রা জোনাল অফিসের ব্যবস্থাপক সুরুজ আলম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপব্যবস্থাপক সফিউদ্দিন আহম্মেদ, উপব্যবস্থাপক আরিফ মাহমুদ বাবু, সহকারী প্রকৌশলী বদরুজ্জামান প্রমুখ।


মন্তব্য