kalerkantho

শনিবার । ৩ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


কাঁচপুরে ব্যবসায়ীকে অপহরণের পর হত্যার চেষ্টা, তিনজন গ্রেপ্তার

সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি   

৯ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



চাঁদা না পেয়ে নারায়ণঞ্জের সোনারগাঁয় গতকাল শনিবার এক ব্যবসায়ীকে অপহরণের পর হত্যার চেষ্টা চালানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ছাত্রলীগ নামধারী তিন সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এ ঘটনায় থানায় মামলা করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কাঁচপুর ইউনিয়নের কুতুবপুর এলাকায় ইপিলিয়ন প্যাকেজিং কারখানায় দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করে আসছেন মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী থানার আব্দুল আউয়াল মিয়া। গতকাল সকালে ওই কারখানা থেকে মাল নিতে এলে তাঁর কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে ছাত্রলীগ নামধারী কুতুবপুর গ্রামের ইমরান হোসেন, একই গ্রামের আবুল হোসেন ও হান্নান মিয়া। কিন্তু চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় সন্ত্রাসীরা ওই ব্যবসায়ীকে মাইক্রোবাসে উঠিয়ে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে মারধর করে। এমনকি এ সময় তাঁকে হত্যার চেষ্টা চালানো হয়। পরে পুলিশের সহায়তায় স্বজনরা তাঁকে উদ্ধার করে। এ সময় সন্ত্রাসী ইমরান হোসেন, আবুল হোসেন ও হান্নান মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

আহত ব্যবসায়ী আবদুল আউয়াল মিয়া জানান, চাঁদা না দেওয়ায় তাঁকে অপহরণ করে হত্যার চেষ্টা করা হয়। এ সময় তাঁকে খুন করে লাশ নদীতে ফেলে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।

এলাকাবাসী জানায়, এর আগে ২০১০ সালের ১১ ডিসেম্বর কুতুবপুর এলাকার আল আমিন ও ২০১৪ সালে ২৮ অক্টোবর ব্যবসায়ী লিটন মিয়াকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করে ছাত্রলীগ নামধারী ইমরান হোসেন ও তার সহযোগীরা। একটি সিন্ডিকেট করে কুতুবপুর এলাকায় ১৫-২০টি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ঝুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করত সে।

সোনারগাঁ উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাসেল মাহমুদ বলেন, ইমরান হোসেন নামের ছাত্রলীগের কমিটিতে কেউ নেই। ছাত্রলীগের নাম ভাঙিয়ে কেউ অপকর্ম করলে এর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোনারগাঁ থানার ওসি মঞ্জুর কাদের বলেন, ইমরান একজন দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী। তার বিরুদ্ধে হত্যা চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবি ও অপহরণের অভিযোগে ইমরানসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।


মন্তব্য