kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


রাজবাড়ী ও গোয়ালন্দ থানায় গণধর্ষণ মামলা

রাজবাড়ী ও গোয়ালন্দ প্রতিনিধি   

৮ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



রাজবাড়ী ও গোয়ালন্দ থানায় গতকাল শুক্রবার আলাদা গণধর্ষণ মামলা করা হয়েছে। দুই নারীই হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

রাজবাড়ী সদরের নির্যাতিত নারী জানান, তিনি জেলা শহরের একটি বাড়িতে আশ্রিতা হিসেবে বাস করতেন। সেখান থেকে গত মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে মুরাদ হোসেন ও তাঁর সহযোগীরা তাঁকে অপহরণ করেন। মুরাদ রাজবাড়ীর মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতের ডেসপাস সহকারী। তিনি বালিয়াকান্দি উপজেলার নতুন চর গ্রামের মানিক বিশ্বাসের (মৃত) ছেলে। শহরের একটি ভবনে ১৮ ঘণ্টা আটকে রেখে মুরাদ ও তাঁর দুই সহযোগী তাঁকে যৌন নির্যাতন করে। পরে তাঁকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ছেড়ে দেয়। তিনি দুই দিন রাজবাড়ী হাসপাতালে ভর্তি থেকে চিকিৎসা নেন।

রাজবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনিরুজ্জামান বলেন, ‘ওই নারীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছে। অভিযুক্তরা আত্মগোপনে থাকায় আটক করা সম্ভব হয়নি। ’

অন্যদিকে গোয়ালন্দ থানা সূত্র জানায়, বাক ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী এক কিশোরী (১৭) গত ঈদুল আজহার দুই দিন পর উজানচর ইউনিয়নে তার নানার বাড়িতে বেড়াতে যায়। গত বুধবার রাত ৮টার দিকে স্থানীয় পুন্নি, আমির ও মিন্টু তাকে মরাপদ্মা নদীর পাড়ে নিয়ে যৌন নির্যাতন করে। পরে রাত ৯টার দিকে মেয়েটিকে নানার বাড়ির কাছে ফেলে পালিয়ে যায়। বাড়িতে ফিরে সে ইশারা-ইঙ্গিতে তার স্বজনদের কাছে নির্যাতনের কথা জানায়। গত বৃহস্পতিবার সকালে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় মেয়েটিকে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজবাড়ী সদর হাসপালে স্থানান্তর করা হয়।

গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসি মির্জা আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘শুক্রবার দুপুরে থানায় তিন যুবককে আসামি করে মামলা করেছেন মেয়ের বাবা। আসামিরা হলো দুলাল মিস্ত্রির ছেলে পুন্নি, বাবলু মিয়ার ছেলে আমির ও তাহেরের ছেলে মিন্টু। তাদের গ্রেপ্তার করতে মাঠে নেমেছে পুলিশ। ’


মন্তব্য