kalerkantho

দুই নৈশপ্রহরী হত্যা ও ডাকাতি

বগুড়ায় ছয়জন ধরা

নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া   

৭ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



বগুড়ার কাহালুতে আলাদা ঘটনায় দুই নৈশপ্রহরী আব্দুল জোব্বার (৫৫) ও আবুল কালাম (৫৫) হত্যা এবং ডাকাতির রহস্য ভেদ করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার ও লুটের মাল উদ্ধার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বগুড়ার পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান পুলিশ সুপারের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান। কাহালুর পোড়াপাড়া বিমানবন্দর এলাকার মেসার্স এ রহমান মেটাল অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপে নৈশপ্রহরী আব্দুল জোব্বারকে গত ২৬ আগস্ট হত্যা করে সশস্ত্র ডাকাতদল। এরপর ওই প্রতিষ্ঠানের সাতটি বৈদ্যুতিক মোটর, একটি সাবমারসিবল পাম্প, একটি ওয়েলডিং মেশিন, একটি জেনারেটর, অফিসের সিসি ক্যামেরা, তিনটি অ্যালুমিনিয়াম ডাইসসহ অন্যান্য মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।

এ ঘটনার কিছুদিন পর ৯ সেপ্টেম্বর কাহালুর পাবহারা গ্রামের জাহাঙ্গীর মুরগির ফার্মের নলকূপের বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমারের তামার তার চুরি করার সময় নৈশপ্রহরী আবুল কালামকে হত্যা করা হয়। ওই ঘটনায় অভিযান চালিয়ে বুধবার গভীর রাতে গাবতলীর কদমতলী গ্রামের সেলিমকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী শহরের গোদারপাড়া এলাকার সিএনজি ড্রাইভার বাবুলকে শহরের চারমাথা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে বাবুল ও সেলিম জানায়, গাবতলীর বাসিন্দা ডাকাতদল নেতা ঝন্টুসহ ১০-১২ জন মেসার্স এ রহমান মেটাল অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডাকাতির পরিকল্পনা করে। তারা ঘটনার রাতে চারমাথা এলাকায় একজোট হয়ে হামলা করে। ডাকাতিকালে ডাকাত সেলিম নৈশপ্রহরী আব্দুল জোব্বারকে মাথায় আঘাত করলে তিনি মারা যান।

পুলিশ সুপার জানান, ডাকাতদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী শহরের কালিতলা থেকে ব্যবসায়ী মাসুদুল হক জিবুর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে জিবুকে গ্রেপ্তারসহ ডাকাতি মালামাল উদ্ধার করা হয়। আর জাহাঙ্গীর মুরগির ফার্মের বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমারের তামার তার বগুড়া শহরের চকসুত্রাপুর এলাকার এসএম এন্টারপ্রাইজের মালিক এস এম মোর্শেদ তুলিপ ও তাঁর ভাই রেদওয়ানুল মোর্শেদ ওরফে রাহাতের দোকান থেকে উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান আরো জানান, এস এম মোর্শেদ তুলিপ ও তাঁর ভাই রেদওয়ান মোর্শেদ রাহাদ ডাকাতদের মালামাল কেনার জন্য আগাম টাকা দিত। এই দুটি মামলায় সেলিম, বাবুল, জিবু, আছির, তুলিপ ও রাহাদকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।


মন্তব্য