kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


সোনারগাঁয় হামলা ভাঙচুর, আহত ১০

সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি   

৬ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার ভরগাঁও গ্রামে গতকাল বুধবার দুই পক্ষে হামলা-লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এতে টেঁটাবিদ্ধসহ উভয় পক্ষে কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছে।

এ ঘটনায় দুই পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ জানিয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সাদিপুর ইউনিয়নে ভরগাঁও গ্রামের আওলাদ মিয়ার সঙ্গে প্রতিবেশী মনির হোসেনের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। গতকাল দুপুরে দুই পক্ষে বাগিবতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে মনির হোসেন, পনির হোসেন, আবু সাঈদসহ কয়েকজন টেঁটাসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এতে আওলাদ হোসেন, বাদশা মিয়া, মোতাহার হোসেন, সালমা আক্তার ও সুরিয়া আক্তার টেঁটাবিদ্ধ হয়। এ সময় তাদের বাড়ঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। পরে আওলাদ হোসেনের লোকজন পাল্টা হামলা চালালে সালমা আক্তার, আবু সাঈদসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। আহতদের সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

আহত আওলাদ হোসেন বলেন, ‘তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমাদের লোকজনকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করে বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়েছে। পরে তারা আবার মিথ্যা মামলা দিয়েছে। ’ ওই পক্ষের মনির হোসেন বলেন, ‘প্রতিপক্ষের লোকজন আমাদের লোকজনকে পিটিয়ে আহত করেছে। ’ সোনারগাঁ থানার ওসি মঞ্জুর কাদের জানান, দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় পৃথক লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দম্পতিকে পিটিয়ে আহত, হুমকি

মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়ায় নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার সাতভাইয়াপাড়া গ্রামে গতকাল এক দম্পতিকে পিটিয়ে আহত করেছে মাদক কারবারিরা। এ সময় তাঁদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে হামলাকারীরা। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। এদিকে থানায় মামলা না করার জন্য ওই দম্পতিকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে। প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, উপজেলার বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের সাতভাইয়াপাড়া গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে জুয়েল মিয়া ও রাতুল মিয়া, আব্বাস আলীর ছেলে হোসেন মিয়া ও হাসান মিয়া দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছিল। এলাকার কাজী ইসলাম মিয়া ও সাগর মিয়া তাদের মাদক ব্যবসায় বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে জুয়েল মিয়া, রাতুল মিয়া, হোসেন মিয়া ও হাসান মিয়ার নেতৃত্বে ১০-১৫ জন মাদক কারবারি হামলা চালিয়ে কাজী ইসলাম মিয়া ও তাঁর স্ত্রী নূরজাহানকে পিটিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করে। এ সময় তাঁর মুদি দোকানে হামলা ও ভাঙচুরের পর আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয় তারা।


মন্তব্য