kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


কেরানীগঞ্জে কারা মহাপরিদর্শক

বেষ্টনী না থাকায় কেন্দ্রীয় কারাগারে নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে

কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি   

৫ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইফতেখার উদ্দিন বলেছেন, ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বেষ্টনী না থাকায় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী কারাগার নির্মাণের আগেই নিরাপত্তাবেষ্টনী তৈরির কথা ছিল।

কিন্তু তা করা হয়নি। ফলে এখন নিরাপত্তাবেষ্টনী তৈরিতে সময় লাগছে।

গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে কেরানীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে দর্শনার্থী শেড ও কারাভ্যন্তরে মাল্টিপারপাস শেড উদ্বোধনের পর এক প্রেস কনফারেন্সে এসব কথা বলেন কারা মহাপরিদর্শক। তিনি বলেন, নিরাপত্তাবেষ্টনী না থাকায় কারাগারের পূর্বদিকটা বেশি অরক্ষিত। পিডাব্লিউডির আন্তরিকতার অভাবে কারাগারের এ অবস্থা।

কারা মহাপরিদর্শক বলেন, ‘বন্দিদের চরম দুর্দশা থেকে উতরে এসেছি। তবে এখনো আমরা আত্মতৃপ্ত নই। কারাগারে দর্শনার্থী সাক্ষাত্কক্ষের স্বল্পতা রয়েছে। গ্যাস না থাকায় এখনো বন্দিদের সময়মতো খাবার দিতে পারছি না। তবে আগামী ছয় মাসের মধ্যে দর্শনার্থী সাক্ষাত্ ভবনটি চারতলা করা হবে। আজ কারা ক্যান্টিনের লভ্যাংশের অর্থায়নে চার হাজার বর্গফুটের দর্শনার্থী শেড ও মাল্টিপারপাস শেড উদ্বোধন করা হলো। মাল্টিপারপাস শেডে বন্দিরা একত্র হয়ে আড্ডা দিতে পারবে। নামাজ পড়তে পারবে। কারাগার থেকে গ্যাসের লাইন কয়েক কিলোমিটার দূরে হওয়ায় গ্যাস সংযোগ পাওয়া যাচ্ছে না। শিগগিরই কারাগারে এলপিজি প্লান্ট স্থাপন করা হবে। ’

বন্দিদের সঙ্গে দেখা করতে ঘুষ লাগে—সাংবাদিকদের এমন এক প্রশ্নের জবাবে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইফতেখার বলেন, ‘আমাদের মধ্যে সিরিয়াল মেইনটেইন না করার একটা প্রবণতা রয়েছে। ফলে অনেকেই ঘুষ দিয়ে সিরিয়াল ভঙ্গ করে আগে দেখা করতে চায়। এর সঙ্গে আমাদের অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জড়িত। অভিযুক্ত কয়েকজনেক সাসপেন্ড ও কয়েকজনকে অন্যত্র বদলি করা হয়েছে। ’

গতকাল সকালে কারাগারে প্রবেশ করেন কারা মহাপরিদর্শক। এ সময় কারারক্ষীদের একটি চৌকস দল তাঁকে গার্ড অফ অনার দেয়। তিনি কারাগারের ভেতরে গেলে বন্দিরাও তাঁকে গার্ড অব অনার দেয়। পরে শেড উদ্বোধন করে কারাগারের কনফারেন্স কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ডিআইজি (প্রিজন) ফজলুল হক, সিনিয়র জেল সুপার জাহাঙ্গীর হোসেন ও জেলর নেসার আলম।


মন্তব্য