kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


বাজিতপুরে শিশুকে ধর্ষণ

পুলিশ দেখে সালিস ছেড়ে পালালেন মাতবররা

নিজস্ব প্রতিবেদক, হাওরাঞ্চল   

৩ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর পৌর এলাকায় গত শনিবার বিকেলে আট বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ করা হয়েছে। রাতে এ ঘটনায় সালিস বসে।

খবর পেয়ে পুলিশ এলে মাতবররা পালিয়ে যান।

গতকাল রবিবার সকালে মেয়ের বাবা নির্যাতনকারী ও মাতবর রাশিদ মিয়াকে আসামি করে বাজিতপুর থানায় মামলা করেন। বিকেলে মেয়েটি কিশোরগঞ্জের মুখ্য বিচারিক হাকিম আবদুস ছালাম খানের আদালতে জবানবন্দি দেয়। জেলা সদর আধুনিক হাসপাতালে তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়।

পুলিশ, এলাকাবাসী ও শিশুর পরিবার জানায়, মেয়েটিকে তার মা মুদি ব্যবসায়ী এমরান মিয়ার (৩২) দোকান থেকে গুড় কিনে আনতে পাঠান। এমরান একা পেয়ে মেয়েটিকে টেনে দোকানের পেছনে নিয়ে নির্যাতন চালান। অন্য একটি শিশু ঘটনা দেখতে পেয়ে মেয়ের পরিবারকে জানায়। মেয়ের খালু ঘটনার প্রতিবাদ জানালে এমরানের ভাই এনাম তাঁকে মারধর করেন। স্থানীয় আবদুল লতিফের ছেলে এমরান বিবাহিত ও দুই সন্তানের জনক।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, গত শনিবার রাতে এমরানের সম্পর্কিত চাচা মাতবর রাশিদসহ এলাকার কয়েকজন ঘটনা আপস করতে ভাগলপুর বাসস্ট্যান্ড চত্বরে সালিসের আয়োজন করে। সালিসে এমরানও ছিলেন। অন্যদিকে ঘটনাটি পুলিশের কানে পৌঁছে। বৈঠক শুরুর পর একপর্যায়ে পুলিশের একটি দল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গেলে সালিস ফেলে যে যার মতো চলে যায়। পরে পুলিশ শিশুটিসহ তার পরিবারের সদস্যদের থানায় নিয়ে আসে।

মেয়ের বাবা অভিযোগ করেন, ‘মাতবররা আপস করার জন্য চাপ দিচ্ছেন। ’

বাজিতপুর থানার ওসি মকবুল হোসেন মোল্লা বলেন, ‘রাতেই আসামি গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হয়। গা ঢাকা দেওয়ায় ওরা ধরা পড়েনি। তবে ধরা পড়ে যাবে। ’


মন্তব্য