kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


টঙ্গীতে রোগীবাহী অ্যাম্বুল্যান্স আটকে চালককে মারধর

এসআইকে গণপিটুনি, মহাসড়ক অবরোধ

গাজীপুর প্রতিনিধি   

২ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



মুমূর্ষু রোগী নিয়ে গাজীপুর থেকে গতকাল শনিবার রাতে একটি অ্যাম্বুল্যান্স যাচ্ছিল ঢাকার দিকে। পুলিশের এক বড় কর্মকর্তার ওই পথ দিয়ে যাওয়ার কথা থাকায় আধঘণ্টা আগে থেকেই যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয় পুলিশ।

শুরু হয় যানজট। অ্যাম্বুল্যান্সটি রং সাইড দিয়ে যেতে থাকলে টঙ্গীর চেরাগআলী এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে চালককে নামিয়ে বেধড়ক মারধর করেন টঙ্গী থানার এসআই বিল্লাল হোসেন। ওই দৃশ্য দেখে জনতা ওই এসআইকে পাকড়াও করে পিটুনি দেয়। এর জের ধরে মহাসড়কে আধঘণ্টা বন্ধ থাকে যানচলাচল। দুর্ভোগে পড়ে হাজার হাজার যাত্রী।

জানা গেছে, অ্যাম্বুল্যান্সচালক সাবের হোসেন রাত ৮টার দিকে গাজীপুরে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে একজন মুমূর্ষু রোগী নিয়ে ঢাকায় যাচ্ছিলেন। রাত সাড়ে ৮টার দিকে গাজীপুরা এলাকায় পৌঁছে দেখেন পুলিশ যানবাহন বন্ধ করে দিয়েছে। অক্সিজেন ফুরিয়ে রোগীর অবস্থার অবনতি হতে থাকলে স্ব্বজনদের অনুরোধে চালক রং সাইড দিয়ে অ্যাম্বুল্যান্স চালিয়ে যেতে থাকেন। চেরাগআলী মার্কেটের কাছে পৌঁছলে এসআই বিল্লাল হোসেন অ্যাম্বুল্যান্সটিকে থামান। রং সাইড দিয়ে যাওয়ার কারণে তিনি চালককে বকাঝকা করেন। একপর্যায়ে পিস্তলের ভয় দেখিয়ে অ্যাম্বুল্যান্স থেকে টেনেহিঁচড়ে নামিয়ে চালককে বেধড়ক মারধর করেন ওই এসআই। তখন রোগীর অবস্থা খারাপ হতে থাকলে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে গিয়ে এসআই বিল্লালকে মারধর করতে থাকে। খবর পেয়ে টঙ্গী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে এসআই বিল্লালকে উদ্ধার করে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ওই ঘটনার জের ধরে রাত ৯টা পর্যন্ত ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের উভয় দিকে যানচলাচল বন্ধ থাকে। ফলে ওই মহাসড়কে প্রচণ্ড যানজটের সৃষ্টি হয়।

এ বিষয়ে টঙ্গী থানার ওসি ফিরোজ তালুকদার বলেন, ‘অ্যাম্বুল্যান্সের চালকের সঙ্গে এসআই বিল্লাল হোসেনের তর্কবিতর্ক হয়েছে বলে শুনেছি। মারধরের কোনো ঘটনা ঘটেনি। তার পরও বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ’


মন্তব্য