kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


সৈয়দপুরে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভা

‘রেলের উন্নয়নে ২০ বছর মেয়াদি প্রকল্প’

সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি   

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



রেলপথমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক বলেছেন, বিএনপি সরকারের আমলে রেলওয়ে ছিল একেবারে অবহেলিত, উপেক্ষিত। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রেলওয়ের প্রতি বিশেষ নজর দিয়েছেন।

রেলওয়ের উন্নয়নে রেলপথ মন্ত্রণালয় করা হয়েছে। হাতে নেওয়া হয়েছে ২০ বছর মেয়াদি অনেক উন্নয়ন প্রকল্প। প্রতিটি জেলাকে রেলওয়ে নেটওয়ার্কের আওতায় এনে প্রতিটি রেলপথে ডাবল রেললাইন চালু করা হবে। রেলওয়েকে চারটি অঞ্চলে ভাগ করে উন্নয়নকাজ করা হচ্ছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যদের নিয়ে দেশের বৃহত্তম সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের বিফ্রিংকালে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

রেলপথমন্ত্রী বলেন, রেলওয়ে প্রকল্পগুলো শেষ হলে দেশের মানুষ শতভাগ রেলওয়ে সুবিধা পাবে। রেলওয়েতে জনবল সংকটের কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, এরই মধ্যে সাড়ে আট হাজার লোক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আগামী দুই বছরে সব পদে লোক নিয়োগ করা হবে। পদ্মা ও কর্ণফুলী নদীতে রেলসেতু হবে। বঙ্গবন্ধু সেতুতে পৃথক রেলসেতু করা হবে। সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা রেলপথের অনেক সহায়ক উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ভারতীয় ঋণের অর্থায়নে এই কারখানায় বেশ কিছু উন্নয়নমূলক প্রকল্প নেওয়া হয়েছে।

এর  আগে রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরীর নেতৃত্বে কমিটির সদস্যরা সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় বগি, ওয়েডিং, কামারশাল, ফাউন্ড্রি শপ, টুলরুম শপসহ গুরুত্বপূর্ণ শপগুলো ঘুরে দেখেন। কর্মকর্তা-শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

আরো উপস্থিত ছিলেন রেলমন্ত্রী ও কমিটির সদস্য মুজিবুল হক, মো. মোসলেম উদ্দীন, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, মো. আলী আজগর, মো. সিরাজুল ইসলাম মোল্লা, মোহাম্মদ নোমান ও মো. ইয়াসিন আলী, নীলফামারী-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. শওকত চৌধুরী, রেলওয়ে মন্ত্রণালয়ের সচিব ফিরোজ মো. সালাউদ্দিন, মহাপরিচালক মো. আমজাদ হোসেনসহ রেলওয়ের কর্মকর্তা, আওয়ামী লীগ ও ট্রেড ইউনিয়ন নেতারা।

সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভা : বিকেলে রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির ২৬তম সভা হয় সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার তত্ত্বাবধায়ক কার্যালয়ের সভাকক্ষে। সভাপতিত্ব করেন এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী এমপি। সভায় রেলওয়ে কারখানা ও পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের চলমান প্রকল্প এবং প্রস্তাবিত প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা ও দিকনির্দেশনামূলক প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।


মন্তব্য