kalerkantho

বুধবার । ৭ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


বাগেরহাটে হত্যা ও ডাকাতি মামলা

একজনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ চারজনের যাবজ্জীবন

বাগেরহাট প্রতিনিধি   

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



বাগেরহাটে হত্যা ও ডাকাতির মামলায় এক আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং অন্য চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল সোমবার দুপুরে বাগেরহাটের অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মো. জাকারিয়া হোসেন এ রায় দেন।

পৃথক অভিযোগে আদালত মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডেরও আদেশ দিয়েছেন।

রায় ঘোষণার সময় মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামি সোহেল শেখ (২৭) আদালতের কাঠগড়ায় হাজির থাকলেও অন্য চার আসামি পলাতক রয়েছে।

সোহেল শেখ বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার সাংকিডাঙ্গা গ্রামের আমির শেখের ছেলে। আর যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশপ্রাপ্ত আসামিরা হচ্ছে খুলনা মহানগরীর টুটপাড়া এলাকার আলামীন ওরফে তুহিন, খুলনার রূপসা উপজেলার বাগমারা গ্রামের সোহাগ ওরফে জাহিদ, একই উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের জসিম ও বটিয়াঘাটা উপজেলার গাওগ্রাম গ্রামের মনির শেখ।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা গেছে, ২০১১ সালের ২৯ জুন রাতে সশস্ত্র আসামিরা বাগেরহাট সদরের ফুলবাড়ী স্টিল ব্রিজের কাছে গৌরাঙ্গ দেবনাথ নামের এক মোটরসাইকেল আরোহীকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এ সময় তাঁর চিৎকারে গ্রামবাসীর ধাওয়া খেয়ে আসামি সোহেল শেখ দৌড়ে পাশের বড় পাইকপাড়া গ্রামের শাহিন শেখের বাড়িতে ঢুকে পড়ে। শাহিন শেখ চিৎকার করলে সোহেল তাঁকে ছুরি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। পরে গ্রামবাসী ধাওয়া করে আসামিদের ধরে পুলিশে সোপর্দ করে। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলের আরোহী বড় পাইকপাড়া গ্রামের গৌরাঙ্গ দেবনাথ বাদী হয়ে পরদিন বাগেরহাট মডেল থানায় একটি মামলা করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বাগেরহাট মডেল থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) হারুন অর রশিদ ২০১২ সালের ৩১ আগস্ট ওই পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

বাগেরহাটের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট কাজী মনোয়ার হোসেন জানান, আদালত আসামি সোহেল শেখের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়। পৃথক অভিযোগে আদালত মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সোহেল শেখসহ অন্য চার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো দুই বছর করে কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন।


মন্তব্য