kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০১৬। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


ভালুকায় কাঁথা মোড়ানো লাশ

গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যা করে স্বামী

ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি   

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



ময়মনসিংহের ভালুকায় গত শুক্রবার রাতে কাঁথা মোড়ানো তরুণীর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় আটক স্বামী পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে যে সে স্ত্রীর গলায় ওড়না পেঁচিয়ে তাঁকে শ্বাসরোধে হত্যা করেছে। ওই তরুণীর নাম রেখা বেগম (২৫)।

তিনি ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ার চৌধার গ্রামের আবদুর রাজ্জাকের মেয়ে।

লাশবহনকারী ভ্যানগাড়ির সূত্র ধরে রেখার স্বামী ভালুকা মাছবাজারের বরফকল শ্রমিক আলম আকন্দসহ তিনজনকে গ্রেপ্তারের পর তরুণীর পরিচয়ও মিলে। আলম আকন্দ ফুলবাড়িয়ার কোশমাইল ধানাইপাড় গ্রামের সুলতান আকন্দের ছেলে। গ্রেপ্তারকৃত অন্য দুজন হলো আলম আকন্দের ছোট ভাই মামুন আকন্দ ও একই এলাকার নরশের আলী আকন্দের ছেলে মোস্তফা আকন্দ। সোমবার তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ জানায়, বনিবনা না হওয়ায় প্রথম স্ত্রী চলে যাওয়ার পর সাত-আট মাস আগে পারিবারিকভাবে রেখা বেগমকে বিয়ে করে আলম। কিন্তু রেখার সঙ্গেও বনিবনা না হওয়ায় প্রায় এক মাস আগে বাড়ি থেকে পালিয়ে এসে ভালুকার মাছবাজারের একটি বরফকলে কাজ নেয় আলম। বিষয়টি জানতে পেরে রেখা বেগম গত শুক্রবার স্বামীর কাছে তার ভাড়াবাসায় চলে আসেন। ওই রাতেই কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে স্ত্রী রেখাকে হত্যা করে আলম। পরে মামুন আকন্দ ও মোস্তফা আকন্দের সহযোগিতায় লাশটি কাঁথায় মুড়িয়ে ভ্যানগাড়িযোগে ভালুকা ডিগ্রি কলেজ এলাকায় নিয়ে যায় সে। বিষয়টি দেখতে পেয়ে কয়েকজন পাহারাদার এগিয়ে এলে তারা ভ্যানগাড়িসহ লাশ ফেলে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে লাশটি উদ্ধার করে ভালুকা মডেল থানার পুলিশ। পরে ভ্যানগাড়ির সূত্র ধরেই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ভালুকা মডেল থানার ওসি গতকাল সকালে সংবাদ সম্মেলন করে এসব তথ্য জানান।


মন্তব্য