kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


টঙ্গীতে টাম্পাকো বিস্ফোরণ

১৪ দিন পর মিলল শ্রমিকের খুলি ও মেরুদণ্ড

টঙ্গী (গাজীপুর) প্রতিনিধি   

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



গাজীপুরের টঙ্গীতে টাম্পাকো ফয়েলস কারখানায় বিস্ফোরণের ১৪ দিন পর গতকাল শনিবার দুপুরে ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে এক শ্রমিকের দেহের খুলি ও মেরুদণ্ড উদ্ধার হয়েছে। বাকি অংশ আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

তবে নিহতের পরিচয় জানা যায়নি। এ নিয়ে নিহতের সংখ্যা দাঁড়াল ৩৬।

সেনাবাহিনী স্বতন্ত্র ইঞ্জিনিয়ারিং ব্রিগেডের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল শফিউল আজম বলেন, ‘শনিবার দুপুরে বর্জ্য সরানোর সময় ধ্বংসস্তূপের মধ্য থেকে এক শ্রমিকের দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া দেহাবশেষটি কার সেটি শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে দেহাবশেষটি প্রিন্টিংকর্মী আজিম উদ্দিনের বলে কারখানার শ্রমিক জুলফিকার আলীর ধারণা। ’

এ বিষয়ে বয়লার পরিদর্শক (ঢাকা অঞ্চল) মো. সরাফত আলী বলেন, ‘কারখানার দুটি বয়লারই অক্ষত রয়েছে। আমরা নিশ্চিত বয়লার বিস্ফোরণের কারণে অগ্নিকাণ্ড ঘটেনি। গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত বলে ধারণা করা হচ্ছে। ’

এদিকে টাম্পাকো দুর্ঘটনার কারণ জানতে ফায়ার সার্ভিসসহ তিনটি সংস্থাকে প্রতিবেদন জমা দিতে আরো সাত দিন সময় দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন গাজীপুরের জেলা প্রশাসক এস এম আলম। ফায়ার সার্ভিস ছাড়াও ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন-বিসিক এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের কলকারখানা অধিদপ্তর এই তদন্তকাজ চালাচ্ছে।

উল্লেখ্য, টঙ্গীর বিসিক শিল্প নগরীর টাম্পাকো ফয়েলস লিমিটেড কারখানায় গত ১০ সেপ্টেম্বর ভোরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এতে ওই কারখানার তিনটি ভবন ধসে পড়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। ওই ঘটনায় এ পর্যন্ত ৩৬ জন নিহত, ৪০ জন আহত ও ১১ জন নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজ ১১ জনের স্বজনদের কাছ থেকে ডিএনএর আলামত নেওয়া হয়েছে। সেনাবাহিনীর স্বতন্ত্র ইঞ্জিনিয়ার ব্রিগেডের নেতৃত্বে ফায়ার সার্ভিস ও সিটি করপোরেশনের কর্মীরা উদ্ধার কাজ চালাচ্ছেন।


মন্তব্য