kalerkantho

রবিবার। ৪ ডিসেম্বর ২০১৬। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


শেরপুরে কনস্টেবলের লাশ

১৭ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ ভেদ হয়নি মৃত্যুরহস্য

শেরপুর প্রতিনিধি   

২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



শেরপুরে পুলিশ কনস্টেবল রাকিবুল হাসানের মৃত্যুরহস্য কিনারা করতে গত তিন দিনে ঘটনাস্থলের আশপাশের ছয় নারীসহ কমপক্ষে ১৭ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তবে তাদের কাউকেই রাকিবুল হত্যা মামলায় আটক কিংবা গ্রেপ্তার দেখানো হয়নি।

পুলিশ লাইনের পাশেই বসবাসকারী আলোচিত ‘নীলার মা’ খ্যাত শামীমা আক্তার মিনু বেগমকে দুই দিন পর বুধবার বিকেলে পুলিশ বিচারিক হাকিমের আদালতে পাঠিয়েছে। সদর থানার ওসি নজরুল ইসলাম জানান, নীলার মাকে পুলিশ কনস্টেবল রাকিবুল হত্যা মামলায় নয়, তাঁকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে আটক দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে পুলিশ রাকিবুলের মোবাইল ফোনের কললিস্ট এবং ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকা থেকে জব্দ করা আলামতগুলো ফরেনসিক টেস্টে পাঠানো হবে বলে তদন্তসংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

পুলিশ কনস্টেবল রাকিবুল হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, হত্যারহস্য ভেদ করতে কয়েকজনকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে রাকিবুলের মোবাইল ফোনের কললিস্ট পর্যালোচনা করা হয়েছে। মোবাইল ফোনের কললিস্ট ও মেসেজ আদান-প্রদানের আরো বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, তদন্তকাজ অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে কনস্টেবল রাকিবুল হাসানকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিমত জানিয়েছেন ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক শেরপুর জেলা হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) মো. মোবারক হোসেন। তিনি জানান, মাথায় প্রচণ্ড আঘাতে ওই কনস্টেবলের মৃত্যু হয়েছে। আঘাতে তাঁর মাথার এক অংশ আলাদা হয়ে যায়।

উল্লেখ্য, সদর থানার পুলিশ সোমবার সকালে শেরপুর পুলিশ লাইনসংলগ্ন শহরের পূর্বশেরি এলাকার ভাটারাঘাট রাস্তার পাশের একটি বৈদ্যুতিক খুঁটির নিচ থেকে কনস্টেবল রাকিবুল হাসানের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করে।


মন্তব্য