kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০১৬। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


হোমনায় হামলা লুট, আহত ৬

ফুলবাড়ীতে মাদক বিক্রির অভিযোগে ভাঙচুর

দাউদকান্দি (কুমিল্লা) ও পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি   

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



কুমিল্লার হোমনায় হামলা চালিয়ে বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে বাধা দিতে গিয়ে সন্ত্রাসীদের এলাপাতাড়ি কোপে নারীসহ একই পরিবারের ছয়জন গুরুতর আহত হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার রাতে উপজেলার ঘাগুটিয়া ইউনিয়নের দড়িচর পূর্বপাড়ার বাচ্চু মিয়ার বাড়িতে। এ ঘটনায় গতকাল শনিবার হোমনা থানায় মামলা করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দড়িচর গ্রামের বাচ্চু মিয়ার পরিবারের সঙ্গে একই গ্রামের ইসমাইল ও ইব্রাহিমদের দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছে। এরই জের ধরে গত শুক্রবার সন্ধ্যায় ইসমাইলরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বাচ্চু মিয়ার পরিবারের ওপর হামলা চালায়। এ সময় দুটি ঘরে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। তাতে বাধা দিতে গেলে হামলায় বাচ্চু মিয়াসহ তাঁর পরিবারের ছয়জন গুরুতর আহত হন। পরে প্রতিবেশীরা তাঁদের উদ্ধার করে হোমনা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। খবর পেয়ে হোমনা থানা পুলিশ আহতদের দেখতে হাসপাতাল পরিদর্শন করে।

ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘সীমানা নিয়ে ওদের সঙ্গে আমাদের বিরোধ রয়েছে। এ নিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। ’

আরেক পক্ষের মিনা আক্তার বলেন, ‘সম্পত্তি নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা রয়েছে। ওরা জামিনে এসে আমাদের ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালিয়েছে। আমাকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করেছে। ’ হোমনা থানার ওসি রসুল আহমদ নিজামী বলেন, হামলার ঘটনায় আহতদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে থানায় মামলা নেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে মাদক বিক্রির অভিযোগে ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলাম গামা নামের এক ব্যক্তির দোকানে স্থানীয় মহিলা কাউন্সিলরের নেতৃত্বে হামলা-ভাঙচুর চালানো হয়েছে। গতকাল শনিবার সকালে ফুলবাড়ী পৌর শহরের বটতলী মোড়ে ওই ঘটনা ঘটে। তবে গামার স্বজনদের দাবি, তাঁর জমি দখলের জন্যই কাউন্সিলর এ ঘটনা ঘটিয়েছেন। সিরাজুল ইসলাম গামার স্ত্রী মোছা. মঞ্জুয়ারা বেগম বলেন, সকাল ১১টার দিকে ১ নম্বর সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর রোকেয়া বেগমের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন লোক এসে তাঁদের খড়ির দোকানটি গুঁড়িয়ে দেয়। এ সময় তিনি বাধা দিতে গেলে তাঁকেও মারধর করা হয়। ১ নম্বর সংরক্ষিত আসনের মহিলা কাউন্সিলর রোকেয়া বেগম বলেন, ‘সিরাজুল ইসলাম গামা একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। সে দীর্ঘদিন ধরে খড়ির ব্যবসার আড়ালে মাদকের ব্যবসা চালিয়ে আসছিল। তার মাদক ব্যবসার কারণে যুবসমাজ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। ’


মন্তব্য