kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


সীমান্তে সেলফি তুলতে গিয়ে বিএসএফের গুলতিতে আহত

আহত পাঁচজন পাখি উড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি   

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



ভারত সীমান্তে সেলফি তুলতে গিয়ে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলতিতে আহত হয়েছে পাঁচ স্কুল ছাত্র। কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার ধর্মপুর সীমান্তে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভারতের গারো পাহাড়ঘেঁষা ওই সীমান্তে সুন্দর ও মনোরম পরিবেশ হওয়ার কারণে শিক্ষার্থীরা ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে গিয়েছিল। তাদের আনন্দ উপভোগে বাদ সাধেন ভারতের দ্বীপচর বিএসএফ ক্যাম্পের জোয়ানরা। বাংলাদেশি ছেলেমেয়েরা সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়ার কাছে ছবি বা সেলফি তুলতে জড়ো হয়। এদের লক্ষ্য করে তাঁরা গুলতিতে ছোট পাথর বা পাথরের টুকরা ভরে আক্রমণ চালায়।

এই পাথরের আঘাতে আনিছুর রহমান (১৩), একরামুল হক (১৭), ময়নাল হোসেন (১৪), আরিফুল হক (১৬), মিজানুর রহমান (১৫) আহত হয়েছে। এদের সবার মাথায় ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে। আহতদের সবার বাড়ি বাইটকামারী গ্রামে। এরা সবাই উপজেলার পাখি উড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেণির ছাত্র।

সীমান্তের মানুষজন জানায়, এ দেশের শিশুরা গুলতি দিয়ে পাখি শিকার করে থাকে। বিএসএফ সেই গুলতি দিয়ে বাংলাদেশিদের আক্রমণ করছে। এটাকে তারা অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে। গুলতির পাথর কারো চোখে লাগলে অন্ধ হয়ে যেতে পারে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ধর্মপুর সীমান্তঘেঁষা গ্রামের ইউপি সদস্য শাহাজাহান মিয়া বলেন, ‘বিএসএফ মাঝেমধ্যেই পাথর ছুড়ে মারে বা গুলতি আক্রমণ করে। বৃহস্পতিবার রাতে ছাটকরাইবাড়ী গ্রামের শফিয়াল হকের ছেলে বাবু মিয়া (৩০) গরু নামানোর সময় বিএসএফের গুলতি আক্রমণে আহত হয়েছেন। তাঁর মাথায় ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে। ’

এ বিষয়ে দাঁতভাঙ্গা বিজিবি ক্যাম্পের কম্পানি কমান্ডার সুবেদার আব্দুল আজিজ বলেন, ‘বিএসএফের গুলতি আক্রমণের কথা আমরা শুনেছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো বাংলাদেশি ওই আক্রমণে আহত হয়ে আমাদের কাছে আসেনি। আমাদের কাছে না এলে বা কেউ অভিযোগ না করলে আমরা তো বিএসএফের কাছে বিষয়টি বলতে পারছি না। ’


মন্তব্য