kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


টাঙ্গুয়ার হাওরে জোছনা উৎসব

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি   

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরকে কেন্দ্র করে পর্যটন অবকাঠামো গড়ে তোলার দাবিতে আজ শুক্রবার থেকে দুই দিনব্যাপী জোছনা উৎসব শুরু হচ্ছে। তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে প্রায় অর্ধ শতাধিক নৌকায় দুই দিন টাঙ্গুয়ার হাওরে অবস্থান করবে দেশ-বিদেশের হাজারো পর্যটক।

হাওরের ঐতিহ্যবাহী রৌয়া বিলে ভাসমান মঞ্চে জোছনার আলোয় সাংস্কৃতিক উৎসব হবে।

আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুরে টাঙ্গুয়ার হাওরের উদ্দেশে পর্যটকদের নিয়ে রওনা দেবে অর্ধ শতাধিক নৌকা। সন্ধ্যার আগ পর্যন্ত হাওরের হিজল-কড়চের বাগ, মেঘালয় সীমান্তঘেঁষা হাওরের তীরে ঘুরে বেড়ানো শেষে রাতে জোছনা উদ্যাপন করা হবে। হাওরের মধ্যবর্তী রৌয়া বিলে বাল্কহেড নৌকার ছাদকে মঞ্চে রূপ দিয়ে রাতব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে। স্থানীয় শিল্পীরা হাওরাঞ্চলের বাউল মহাজনদের গান পরিবেশন করবেন। পরদিন সকালে টাঙ্গুয়ার হাওর থেকে সীমান্ত নদী যাদুকাটা ঘুরে ঘনসবুজের খাড়া ও ঢালু বড়গোপটিলায় রাত যাপন করা হবে। এখানেও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে। পাশাপাশি অনুষ্ঠানের আগে হাওরের সমস্যা, সম্ভাবনা, জীববৈচিত্র্য তুলে ধরে পর্যটন অবকাঠামো নির্মাণের দাবি জানাবেন আয়োজকরা।

তাহিরপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুল বলেন, ‘রাতে জোছনা উৎসব উদ্যাপনের পাশাপাশি দিনভর বৈচিত্র্যময় টাঙ্গুয়ার হাওরের সুন্দর স্পটগুলো ও লুকিয়ে থাকা রূপবৈচিত্র্যের সঙ্গে পরিচিত হবে ভ্রমণার্থীরা। টাঙ্গুয়ার হাওরপাড়ে অবস্থিত হাওররাজ্যের রাজমহলখ্যাত জমিদার বাড়িগুলোও দেখতে পারবে পর্যটকরা। নৌকায় অবস্থান করেই মেঘালয়ের নীল গহিনের সৌন্দর্য উপভোগ করা যাবে। টাঙ্গুয়ার হাওরপাড়ের পাহাড়ঘেঁষা টেকেরঘাট খনিজ প্রকল্পও দেখতে পারবে পর্যটকরা। মেঘালয় পাহাড়ের নিচে অবস্থিত খনিজ প্রকল্পের স্বচ্ছ জলের লেকটিতে পাহাড় ও আকাশের নীল ছায়া প্রতিবিম্বিত হয়। দীঘল হিজল-করচের বাগের সৌন্দর্যেও মাততে পারবে পর্যটকরা। ’


মন্তব্য