kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


নারায়ণগঞ্জে আসামির স্ত্রীকে ধর্ষণ

‘অভিযুক্ত পুলিশের ডিএনএ টেস্ট নয় কেন?’

আবার রিমান্ডে দুই সোর্স

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি   

৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে একটি মামলায় আসামির দুই স্ত্রীকে ধর্ষণে অভিযুক্ত দুই আসামিকে ফের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। গতকাল বুধবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসানের আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামিদের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠান।

এদিকে নির্যাতিত নারীদের একজন গতকাল বিকেলে ফোনে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, তিনি জানতে পেরেছেন যে অভিযুক্ত দুজন সোর্সের ডিএনএ পরীক্ষার আবেদন করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘যেখানে পুলিশের একজন এসআইকেও আমরা ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত করেছি, সেখানে তাঁকে বাদ দিয়ে কেন দুই সোর্সের ডিএনএ টেস্ট করা হচ্ছে?’ তিনি বলেন, ‘আমাদের এখনো হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এতে আমরা ভীত। ’ নারায়ণগঞ্জ আদালত পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) গোলাম হোসেন রিমান্ড মঞ্জুরের বিষয় নিশ্চিত করেছেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নারায়ণগঞ্জ ডিবির পরিদর্শক (তদন্ত) নজরুল ইসলাম বলেন, ‘পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে গত মঙ্গলবার মামলাটি সিদ্ধিরগঞ্জ থানা থেকে ডিবিতে হস্তান্তর করা হয়। আমি মামলাটি তদন্ত করছি। অধিকতর তদন্তের জন্য গ্রেপ্তার দুই সোর্সকে তিন দিনের রিমান্ডে আনা হয়েছে। ’ গত রবিবার এসআই গোলাম হোসেন জানান, ওই দিন দুই নারীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। সেদিন দুজন সোর্সের ডিএনএ টেস্টের আবেদন করা হয় আদালতে। আদালত সেটা মঞ্জুর করেন। এদিকে ঘটনার শুরুতে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এসআই আতাউর রহমানের নাম এলেও পুলিশ তাঁকে বাঁচিয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এর পেছনে কয়েক লাখ টাকা লেনদেনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

গত ৩১ আগস্ট রাতে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পাশেই একটি ডাকাতি মামলায় রিমান্ডে নেওয়া আসামিকে নির্যাতনের ভয় দেখিয়ে তাঁর দুই স্ত্রীকে সোর্স নজরুলের ভাড়া বাসায় ধর্ষণ করা হয়। এতে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠে সোর্স নজরুল, শুভ ও এসআই আতাউরের বিরুদ্ধে। পরে তদন্ত কমিটি আতাউরকে বাদ দিয়ে দুই সোর্সকে দোষী সাব্যস্ত করে। তবে আতাউরকে পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়।


মন্তব্য