kalerkantho

শনিবার । ৩ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


মিরসরাই বিএনপি অফিস ভাঙা হলো গভীর রাতে

মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলা বিএনপির কার্যালয় ভবন গত সোমবার গভীর রাতে ভেঙে দিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ।

মিরসরাই উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. নুরুল আমিন ও সদস্যসচিব মো. সালাহ্ উদ্দীন সেলিম স্বাক্ষরিত লিখিত প্রতিবাদলিপিতে গতকাল মঙ্গলবার বলা হয়, ‘ভবনটি ভেঙে আওয়ামী লীগ যে প্রতিহিংসার রাজনীতির জন্ম দিয়েছে, ভবিষ্যতে এর খেসারত দিতে হবে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাত প্রায় পৌনে ২টায় অর্ধশতাধিক যুবকের উপস্থিতিতে একটি যন্ত্র দিয়ে উপজেলা বিএনপির দোতলা ভবন ভাঙার কাজ শুরু হয়। এক ঘণ্টার মধ্যে ভবনের সামনের অংশ ও দক্ষিণ পাশের দেয়াল ভাঙা হয়। ঠিক ওই অবস্থায় ভেঙে যাওয়া ভবনের বিভিন্ন অংশ গতকালও পড়ে আছে। ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে আছে দরজা-জানালা।

উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক নুরুল আমিন বলেন, ‘১৯৮০ সাল থেকে মিরসরাই ইউনিয়ন পরিষদের জায়গায় বিএনপির কার্যালয় ছিল। ২০০১ সালে ইউনিয়ন পরিষদের সঙ্গে প্রতি মাসে ৫০০ টাকা ভাড়ার চুক্তি করে ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে দ্বিতল ভবন করা হয়। এরপর মিরসরাই সদরকে পৌরসভা ঘোষণা করা হয়। পৌর কর্তৃপক্ষ সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জায়গাটি কিনে নেয়। টাকা নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ অন্যত্র সরে যায়। এখন পৌরসভা আমাদের কোনো নোটিশ, ভবনের ক্ষতিপূরণ না দিয়ে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে প্রায় তিন যুগের ভবনটি ভেঙে ফেলেছে। ’

মিরসরাই পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র গিয়াস উদ্দিন বলেন, ‘২০১১ সালে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে পৌর কর্তৃপক্ষ সব স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তিসহ ৩৮ শতক জায়গা ৯৪ লাখ টাকা দিয়ে কিনে নেয়। ওই সময় ইউনিয়ন পরিষদকে বিএনপির ভবনটির জন্য ৯ লাখ টাকা পরিশোধ করে পৌর কর্তৃপক্ষ। এরপর উপজেলা বিএনপিকে তাদের কার্যালয় সরিয়ে নিতে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে নোটিশ দেওয়া হয়। তারা কার্যালয় সরিয়ে না নেওয়ায় সাবেক পৌর মেয়র ওই কার্যালয় ভাঙার জন্য ঠিকাদার নিয়োগ করেন। এখন ওই ঠিকাদার কাজ করছেন। ’


মন্তব্য