kalerkantho


নোয়াখালীতে সংঘর্ষে নিহত ১ বাহুবলে আহত শতাধিক

নোয়াখালী ও হবিগঞ্জ প্রতিনিধি   

৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর গ্রামে জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে সংঘর্ষে আবুল কাশেম (৫০) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। গতকাল সোমবার সকালে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিত্সাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। আবুল কাশেম ওই গ্রামের মৃত আমির হোসেনের ছেলে।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি ফজলে রাব্বী জানান, গত রবিবার বিকেলে জমি নিয়ে আবুল কাশেমের সঙ্গে ওয়াসিমের কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে আবুল কাশেমের মাথায় বাঁশ দিয়ে আঘাত করেন ওয়াসিম। গুরুতর অবস্থায় এলাকাবাসী তাঁকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে গতকাল সকাল ১১টার দিকে চিকিত্সাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

এদিকে হবিগঞ্জের বাহুবলে রবিবার রাতে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষে শতাধিক লোক আহত হয়েছে। সংঘর্ষের ঘটনায় স্থানীয় মিরপুর বাজারের বেশ কিছু দোকানে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ৩৬৭ রাউন্ড রাবার বুলেট ও ১৮ রাউন্ড টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে। এ ঘটনায় পুলিশ ছয়জনকে আটক করেছে। সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার নতুন বাজার এলাকার ওমেরা সিলিন্ডার্স কম্পানির চার হাজার পিস পরিত্যক্ত সিলিন্ডার কেনে মিরপুরের বেলায়েত গ্রুপ। ২৮ আগস্ট সকালে তাদের লোকজন সিলিন্ডার কাটানোর জন্য শ্রমিক ও গাড়ি নিয়ে ওমেরা কম্পানিতে ঢুকতে চাইলে নতুন বাজার এলাকার শামসু মাস্টার গ্রুপের লোকজনের বাধার মুখে ফিরে আসে। পরে বিকেলে আবারও সেখানে যেতে চাইলে শামসু মাস্টার গ্রুপ তাদের কাছে চাঁদা দাবি করে। এ নিয়ে উভয় পক্ষে বাগিবতণ্ডার একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় বেলায়েত গ্রুপের গাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি চালককে পিটিয়ে আহত করে। পরে মিরপুর সিন্ডিকেট গ্রুপের বেলায়েত মিয়া বাদী হয়ে নতুন বাজার সিন্ডিকেট গ্রুপের সাতজনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা করে। পরদিন সকালে হবিগঞ্জ যাওয়ার পথে ওই মামলার আসামি শামসু মাস্টার, হারুন ও তমিজ খানকে মিরপুর সিন্ডিকেট গ্রুপের সদস্যরা আটকে রাখে। এ খবর পেয়ে শামসু মাস্টার গ্রুপের লোকজন ঢাকা-সিলেট পুরনো মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে। পরে চারগাঁও ও পূর্ব জয়পুর গ্রামের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। তাতে উভয় পক্ষের শতাধিক লোক আহত হয়।


মন্তব্য