kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


ছাতক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংঘর্ষে আহত ৬০

সুনামগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি   

৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



সুনামগঞ্জের ছাতকে দুটি বিদ্যালয়ের ছাত্রদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছে। গুরুতর আহত তিন ছাত্রকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

রবিবার দুপুর আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, রবিবার দুপুরে ছাতকের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়কের প্রায় ২১ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে জঙ্গিবাদবিরোধী মানববন্ধন হয়। মানববন্ধন শেষে বাড়ি ফেরার পথে দুপুর আড়াইটার দিকে ছাতকের মঈনপুর ও শ্রীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে শিক্ষার্থীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে ৪০ জন আহত হয়। ছাতক থানার ওসি আশেক সুজা মামুন বলেন, তুচ্ছ বিষয় নিয়ে ছাত্ররা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় প্রতিষ্ঠানের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বিরাসার এলাকায় শিশুদের ঝগড়াকে কেন্দ্র করে রবিবার দুই পক্ষের সংঘর্ষে কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছে। এ সময় বেশ কয়েকটি দোকান ও বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ থামাতে পুলিশ রাবার বুলেট ও টিয়ার গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করেছে। এ ঘটনায় পুলিশ পাঁচজনকে আটক করেছে।

জানা গেছে, সকালে মালেক মিয়া ও অজু মিয়ার গোষ্ঠীর দুই শিশুর মধ্যে ঝগড়া হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত উভয় পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়। আহতদের মধ্যে জসীম উদ্দিন (৩৫) নামের একজনকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ লাঠিপেটার পাশাপাশি টিয়ার গ্যাসের শেল ও রাবার বুলেট ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

সদর থানা ওসি মো. মঈনুর রহমান জানান, ছোটদের ঝগড়াকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়নি। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন ওসি।

কুপিয়ে জখম : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে নিজ বাড়িতে রিমন মিয়া নামের এক কুয়েতপ্রবাসীকে কুপিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। গত শনিবার রাতে উপজেলার জিনদপুর গ্রামের দক্ষিণপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। রিমন সম্প্রতি কুয়েত থেকে দেশে আসেন। তিনি কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ব্যাপারে নবীনগর থানার ওসি ইমতিয়াজ আহমেদ জানান, শনিবার গভীর রাতে ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে রিমনকে কোপানো হয়। তবে এ ঘটনায় গতকাল রবিবার দুপুর পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি। পরিবারের লোকজন মৌখিক অভিযোগে জানিয়েছে, জমি নিয়ে পূর্ববিরোধের জেরে এ হামলা হয়ে থাকতে পারে।


মন্তব্য