kalerkantho

রবিবার। ৪ ডিসেম্বর ২০১৬। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


তদন্ত কর্মকর্তা দিলেন জবানবন্দি, আসামিদের জেরা ১৯ সেপ্টেম্বর

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি   

২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



তদন্ত কর্মকর্তা দিলেন জবানবন্দি, আসামিদের জেরা ১৯ সেপ্টেম্বর

নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুনের দুটি মামলায় চার্জশিট দেওয়া তদন্তকারী কর্মকর্তার জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে। নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেনের আদালতে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত গ্রেপ্তার নূর হোসেন, তারেক মুহাম্মদ সাঈদসহ ২৩ আসামির উপস্থিতিতে তদন্তকারী কর্মকর্তা মামুনুর রশীদ মণ্ডলের সাক্ষ্য-জবানবন্দি নেওয়া হয়।

এ নিয়ে সাত খুনের দুটি মামলায় অভিন্ন ১২৭ সাক্ষীর মধ্যে ১০৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলো। আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর আসামিপক্ষের জেরা শুরু হবে।

সাত খুনের ঘটনায় তৃতীয় তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামুনুর রশিদ মণ্ডল যিনি এখন জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক ও চার্জশিট দাখিলের সময় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক ছিলেন।

নারায়ণগঞ্জ জেলা আদালতের পিপি (পাবলিক প্রসিকিউটর) অ্যাডভোকেট ওয়াজেদ আলী খোকন জানান, ঘটনার পর মামলার তদন্তভার পেয়ে কিভাবে তদন্ত করেছে, কাকে কাকে গ্রেপ্তার, আটক, জিজ্ঞাসাবাদ, স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিসহ তদন্তের আদ্যোপান্ত জবানবন্দিতে জানান তদন্তকারী কর্মকর্তা।

এর আগে সকালে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে এই মামলার প্রধান আসামি নূর হোসেন ও র‌্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তা, লে. কর্নেল তারেক মোহাম্মদ সাঈদ, কমান্ডার এম এম রানা ও মেজর আরিফ হোসেনসহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়।

আদালত সূত্র জানায়, সাত খুনের ঘটনায় দুটি মামলা হয়। একটি মামলার বাদী নিহত আইনজীবী চন্দন সরকারের মেয়ে জামাতা বিজয় কুমার পাল ও অন্য বাদী নিহত নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি। প্রথমে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা হয়। তখন মামলাটি তদন্ত করেন থানার এসআই ফজলুল হক। ইতিমধ্যে তিনি মারা গেছেন। পরে মামলাটি ডিবিতে হস্তান্তর করা হলে ২০১৪ সালের ৩ মে থেকে ৭ মে পর্যন্ত তদন্ত করেন ডিবির তদন্তকারী কর্মকর্তা এস এস আউয়াল। পরে তিনি বদলি হলে মামলাটির তদন্তভার দেওয়া হয় ওসি মামুনুর রশিদ মণ্ডলকে। ২০১৪ সালের ৮ মে থেকে তদন্ত শুরু করেন পরিদর্শক মামুনুর রশিদ মণ্ডল। তদন্ত শেষে প্রায় এক বছর পর ২০১৫ সালের ৮ এপ্রিল নূর হোসেন, র‌্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। গত ৮ ফেব্রুয়ারি সাত খুনের দুটি মামলায় নূর হোসেন ও র‌্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। এ মামলায় নূর হোসেন ও র‌্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাসহ ২৩ জন কারাগারে আটক রয়েছেন।


মন্তব্য