kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০১৬। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


জমির বিরোধে সংঘর্ষ

দশমিনায় নিহত ১ আহত ১৪

পটুয়াখালী প্রতিনিধি   

১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০



জমি নিয়ে বিরোধের ঘটনায় পটুয়াখালীর দশমিনার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের চরহোসনাবাদ গ্রামে বুধবার সকালে দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত ও ১৪ জন আহত হয়েছে। জানা গেছে, স্থানীয় মমিন দেওয়ান ও আব্দুস ছালাম হাওলাদারের মধ্যে দেড় একর জমি নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে বিরোধ চলছিল।

আমন চাষ নিয়ে গতকাল মমিনের লোকজন জমি চাষ করতে গেলে ছালামের লোকজন বাধা দেয়। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে দেশীয় অস্ত্র্ত্র নিয়ে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। আহত আমির হোসেন দেওয়ান, আব্দুর রব দেওয়ান, আলতাফ দেওয়ান, জালাল দেওয়ান, মমিন দেওয়ান, নাসির দেওয়ান, শাহজাহান দেওয়ান, জিসান, বেগম বিবি, সাজুফা বেগম, মালেক সিকদার, আবুল বশার হাওলাদার, জহিরুল হাওলাদার, মনিরুল হাওলাদার ও কুডি বিবি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আমির হোসেন দেওয়ানকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত মমিন দেওয়ানকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বরিশাল শেরেবাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। দশমিনা থানার ওসি মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘মারামারির ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে নিয়মিত মামলা হবে। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ’

রাঙ্গাবালীতে এবার শিক্ষককে মারধর, শিক্ষার্থীদের ক্লাস বর্জন

স্কুল ছাত্রীকে উত্ত্যক্তকারী সেই বখাটে এবার স্কুল শিক্ষককে মারধর করেছে। এর প্রতিবাদে এবং তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চেয়ে ক্লাস বর্জন করেছে ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বুধবার পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার ছালেহা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এ কর্মসূচি পালন করে। ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে দীর্ঘদিন ধরে উত্ত্যক্ত করে আসছিল রাঙ্গাবালী কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র নিজহাওলা গ্রামের রাজিব মাহমুদ। মঙ্গলবার দুপুরে রাজিব দুই সহযোগীকে নিয়ে ওই স্কুল ছাত্রীকে তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেয়। ওই ছাত্রী বিষয়টি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জানালে তাঁরা রাঙ্গাবালী থানার পুলিশকে অবহিত করেন। পুলিশ মঙ্গলবার রাজিব ও তার সহযোগী নিশাতকে আটক করে। কিন্তু এ ঘটনায় ওই ছাত্রী বা তার পরিবারের কেউ মামলা করতে রাজি না হওয়ায় গতকাল বুধবার সকালে পুলিশ রাজিব ও নিশাতকে ছেড়ে দেয়। ছাড়া পেয়ে ওই দুই বখাটে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শহিদুল ইসলামকে ব্যাপক মারধর করে। এদিকে এ ঘটনার প্রতিবাদে এবং ওই দুই বখাটের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ক্লাস বর্জন করে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষক শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমি স্কুলে যাওয়ার পথে হঠাত্ রাজিব ও তার সহযোগী আমাকে মারধর করে। তাকে পুলিশে দেওয়ায় সে শিক্ষকদের গালাগাল করেছে। ’


মন্তব্য