kalerkantho

শনিবার । ২১ জানুয়ারি ২০১৭ । ৮ মাঘ ১৪২৩। ২২ রবিউস সানি ১৪৩৮।


দুই ভাই বড় দুই দলে বিদ্রোহী!

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি   

৩ এপ্রিল, ২০১৬ ০০:০০



মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের হলদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে  চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন। বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আক্তার হোসেন খান লাভু। এ ইউনিয়নে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন আল ইউসুফ আজাদ চঞ্চল। আর বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী লাভুর ভাই ও উপজেলা বিএনপির যোগাযোগবিষয়ক সম্পাদক আতাউর রহমান খান।

বিষয়টি হলদিয়াসহ উপজেলার অন্য ইউনিয়নের ভোটারদের মধ্যেও ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। হলদিয়ার প্রতিটি বাজারে চায়ের দোকানে এটিই এখন নির্বাচনী আলোচনার মূল বিষয়। গতকাল শনিবার হলদিয়া বাজারে শাহীনের চায়ের দোকানে চা খেতে খেতে গল্প করছিলেন এলাকার কয়েকজন। তাঁরা একজন আরেকজনকে রস করে বলছিলেন, ‘ভাই, আসলে ব্যাপারটা তো বুঝতে পারতাছি না। তাঁদের (বিদ্রোহী প্রার্থী) তো পারিবারিক দ্বন্দ্বও মনে হয় নেই। দুই ভাই দুই দলের নেতা। আবার দুইজনেই বিদ্রোহী প্রার্থী! আমাদের তো বিপদে ফেলে দিল! কোন ভাইরে ভোট দিমু! আমার তো ভোট একটা। তা ছাড়া আত্মীয়স্বজনই বা করব কী? তাঁদের যদি এতই জনপ্রিয়তা, তবে দলের মনোনয়ন পেলেন না কেন?’ এ সময় আরেকজন বলে ওঠেন, ‘ভাই, এটাই তো রাজনীতি। বোঝা বড় দায়! দুই ভাই নেমেছেন বড় দুই দলকে হটাতে। নিশ্চয় দলের থেকে তাঁদের জনপ্রিয়তা বেশি। আসলে তাঁরাই নেতা। ’ প্রসঙ্গত, আক্তার হোসেন খান লাভু ও আতাউর রহমান খান শিমুলিয়া গ্রামের মরহুম আব্দুল সামাদ খানের ছেলে।   আরেকটি মজার বিষয় হচ্ছে, ওই ইউনিয়নে ৯টি গ্রাম থাকলেও দুটি গ্রাম থেকে পাঁচজন চেয়ারম্যান প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে ‘বিদ্রোহী’ দুই ভাইয়ের শিমুলিয়া গ্রাম থেকে বর্তমান চেয়ারম্যান মোজাম্মেলসহ তিনজন ও সাতঘড়িয়া গ্রাম থেকে দুজন (বিএনপির আল ইউসুফ আজাদ চঞ্চল ও জাতীয় পার্টির কামাল শেখ) প্রার্থী হয়েছেন। আগামী ২৩ এপ্রিল হলদিয়া ইউপির নির্বাচন।


মন্তব্য