kalerkantho


চিংড়ি লুটের চেষ্টা ব্যর্থ করল ঘের কর্মচারীরা

চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি   

৩ এপ্রিল, ২০১৬ ০০:০০



কক্সবাজারের চকরিয়ায় সশস্ত্র ডাকাতদলের চিংড়ি লুটের চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে ঘের কর্মচারীরা। প্রতিরোধের মুখে ডাকাত সদস্যরা পালিয়ে গেলেও দলের সর্দার মনজুর আলমকে (৪০) অস্ত্রসহ ধরে পুলিশের হাতে দেওয়া হয়েছে। এ সময় ঘের কর্মচারীদের হটাতে ডাকাত সদস্যরা উপর্যুপরি ফাঁকা গুলি ছোড়ে। গতকাল শনিবার ভোরে চকরিয়ার চিংড়িজোন খুটাখালী ইউনিয়নের বহলতলী মৌজার অফিসের দিয়া চিংড়িঘেরে এ ঘটনা ঘটে।

চকরিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আলমগীর জানান, দেশীয় তৈরি একনলা বন্দুক, এক রাউন্ড গুলিসহ পুলিশের কাছে সোপর্দ করা ডাকাত সর্দার মনজুর আলমের বিরুদ্ধে অস্ত্র, ডাকাতিসহ কয়েকটি মামলা রয়েছে। মনজুরের বাড়ি ডুলাহাজারা ইউনিয়নের কাটাখালী গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের ছগির আহমদের ছেলে।

পুলিশ ও ঘের কর্মচারীরা জানান, খুটাখালীর বহলতলী মৌজার কাছের ইউনিয়ন ডুলাহাজারা ইউনিয়নের কাটাখালী গ্রামের ডাকাত সর্দার মনজুর আলমের নেতৃত্বে ২৫ সদস্যের একদল সশস্ত্র ডাকাত গতকাল ভোরে ২০টি চিংড়িঘেরে ডাকাতির জন্য হানা দেয়। এ সময় ঘেরের কর্মচারীরা ডাকাত হানা দেওয়ার বিষয়টি আঁচ করতে পেরে সংঘবদ্ধ হন। এ সময় ভীতি ছড়াতে ডাকাতদল উপর্যুপরি ২০-২৫ রাউন্ড গুলি ছুড়লে পুরো এলাকা প্রকম্পিত হয়। একপর্যায়ে ঘের কর্মচারীরা ডাকাতদলকে ধারালো অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে প্রতিরোধ শুরু করেন। এ সময় ডাকাতরা ফাঁকা গুলি ছুড়ে এলাকা ছাড়লেও ঘের কর্মচারীদের হাতে ধরা পড়েন ডাকাত সর্দার মনজুর আলম।

চকরিয়া থানার ওসি মো. জহিরুল ইসলাম জানান, পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ডাকাত সর্দার মনজুর স্বীকার করেছেন এর আগে সংঘটিত ডাকাতির সময় এক ঘের মালিককে গুলি করে হত্যা করার ঘটনায় জড়িত থাকার কথা। অস্ত্র, গুলিসহ আটকের ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে আরো একটি মামলা করা হয়েছে।

মানসিক প্রতিবন্ধী স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ : মানসিক প্রতিবন্ধী এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয় লোকজন মুমূর্ষু অবস্থায় ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে। অভিযুক্ত ধর্ষককে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। গতকাল দুপুরে চকরিয়ার চিরিঙ্গা ইউনিয়নে আজিম উদ্দিনের বাসায় এ ঘটনা ঘটে। এলাকাবাসী জানায়, গতকাল দুপুরে মানসিক প্রতিবন্ধী পঞ্চম শ্রেণির ওই ছাত্রী বাড়ি থেকে একা বের হয়। এ সময় একই এলাকার মৃত আহমদ আলীর ছেলে আজিম উদ্দিন ওই ছাত্রীকে একটি বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করে। পরে শিশুটিকে উদ্ধার করে এলাকাবাসী হাসপাতালে নিয়ে যায়।

চকরিয়া থানার ওসি মো. জহিরুল ইসলাম খান বলেন, ‘এ ঘটনায় অভিযুক্ত আজিমকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। এ ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ দিলে মামলা নেওয়া হবে। ’


মন্তব্য