kalerkantho


তিন সহোদরকে মৃত্যুদণ্ড বগুড়ায়

পটুয়াখালীতে ভাইকে হত্যার দায়ে ফাঁসি

নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া ও পটুয়াখালী প্রতিনিধি   

১ এপ্রিল, ২০১৬ ০০:০০



বগুড়ায় ছাত্রলীগকর্মী ফারুক হোসেন সবুজ হত্যা মামলায় তিন সহোদরকে মৃত্যুদণ্ড ও অন্য তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। গতকাল বৃহস্পতিবার বগুড়ার অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত-১-এর বিচারক মো. হাফিজুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। একই দিন পটুয়াখালীতে বড় ভাইকে হত্যার দায়ে ছোট ভাইকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন জেলা দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবুল কাশেম মোহাম্মদ মস্তফা।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত তিন ভাই হলো বগুড়া শহরের নাটাইপাড়া এলাকার আব্দুল মজিদের ছেলে রনি মণ্ডল ওরফে রনি, মাসুম পারভেজ মাসুম ও মাসুদ পারভেজ মুন্না। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলো নাটাইপাড়া এলাকার রমজান আলীর ছেলে জাহাঙ্গীর ও খোকন এবং আজগর আলীর ছেলে আব্দুল মজিদ। দণ্ডিতদের মধ্যে মাসুম, খোকন ও মজিদ পলাতক রয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের জের ধরে ২০০৯ সালের ৫ জানুয়ারি বিকেলে নাটাইপাড়া (কৃষ্ণপাড়া) এলাকায় ছাত্রলীগকর্মী ফারুক হোসেন সবুজকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় সবুজের বাবা আব্দুল গফুর ছয়জনের বিরুদ্ধে বগুড়া সদর থানায় মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত শেষে ছয়জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।

মামলা পরিচালনা করেন বাদীপক্ষে এপিপি রেজাউল হক এবং আসামিপক্ষে আইনজীবী হাফিজুর রহমান (৩) ও সিরাজুল ইসলাম।

পটুয়াখালীতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মো. ফিরোজ হাওলাদার রাঙাবালী উপজেলার তিল্লা গ্রামের মো. বাদশা হাওলাদারের ছেলে। আদালত সূত্র জানায়, তিল্লা গ্রামে ২০১২ সালের ২৫ অক্টোবর বড় ভাই মো. বশির হাওলাদারকে গলা কেটে হত্যা করেন মো. ফিরোজ হাওলাদার। এ ঘটনায় ফিরোজের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন বশিরের স্ত্রী নুরুন্নাহার বেগম। পরে ফিরোজ ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ফৌজদারি দণ্ডবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

মামলা পরিচালনা করেন সরকার পক্ষে সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) গোলাম ওহিদ চৌধুরী ও আসামি পক্ষে মু. রেজাউল করিম রেজা।


মন্তব্য